কড়াভাবেই সমালোচনার জবাব দিলেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। বিশ্বকাপে প্রথম ম্যাচে কঙ্গোর বিপক্ষে ১-১ ড্রয়ের দিনে বেশ বিবর্ণ ছিলেন পর্তুগিজ অধিনায়ক। দ্বিতীয় ম্যাচে উজবেকিস্তানের বিপক্ষে ৫-০ ব্যবধানে জয়ে মহাতারকা করেছেন জোড়া গোল, গড়েছেন রেকর্ড। ম্যাচ শেষে খুশি মনেই জানালেন, রেকর্ড তো ভালোই তবে লক্ষ্য দলের অর্জন।
ষষ্ট মিনিটেই দারুণ গোলে গড়েন রেকর্ড। প্রথম ফুটবলার হিসেবে বিশ্বকাপের ছয় আসরে গোল করার কীর্তি গড়েন। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৫ বিশ্বকাপে গোল আছে আর্জেন্টাইন মহাতারকা লিওনেল মেসির। ২০০৬, ২০১০, ২০১৪, ২০১৮, ২০২২ এবং চলতি আসরের সব কয়টিতে সিআর সেভেনের গোল আছে। মেসির নেই ২০১০ আসরে।
৩৯ মিনিটে দ্বিতীয় গোল করে ছাড়িয়ে যান পর্তুগিজ কিংবদন্তি ইউসেবিওকে। পর্তুগালের হয়ে বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোলদাতা হন রোনালদো। ছয় আসরে তিনি করেছেন ১০ গোল। এদিন আরও একটি রেকর্ড গড়েছেন, বিশ্বকাপে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বয়সী (৪১ বছর ১৩৮ দিন) গোলদাতা এখন সিআর সেভেন। শীর্ষে ক্যামেরুন কিংবদন্তি রজার মিলা, ১৯৯৪ বিশ্বকাপে ৪২ বছর ৩৯ দিন বয়সে গোল করেছিলেন তিনি।
এতসব রেকর্ড ছাড়িয়ে বড় প্রাপ্তি পর্তুগালের জয়, ম্যাচ শেষে রোনালদো বলেছেন, ‘আমি খুব খুব খুশি। কিন্তু আমার কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হল আমাদের কাজ এবং আমরা যে আত্মবিশ্বাস দেখিয়েছি। দল সত্যিই খুব ভালো খেলেছে এবং অনেক উন্নতি করেছে।’
‘কথায় আছে, প্রতিটি মেঘের আড়ালে রুপালি রেখা থাকে। অবশ্যই, ব্যক্তিগতভাবে বলতে গেলে, রেকর্ড সবসময়ই ভালো লাগে, কিন্তু আমার লক্ষ্য সবসময় জাতীয় দলকে তার উদ্দেশ্য অর্জনে সাহায্য করা।’




