ঢাকার মিরপুর-১১ নম্বরে একটি বাসা থেকে ৭৫ বছর বয়সী নুরজাহান বেগম নামের এক নারীর মরদেহ উদ্ধারের সংবাদে বিভিন্ন গণমাধ্যমে বেগম পত্রিকার প্রয়াত সম্পাদক নূরজাহান বেগমের ছবি ব্যবহারের ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করা হয়েছে।
প্রয়াত সম্পাদক নূরজাহান বেগমের মেয়ে ফ্লোরা নাসরিন খান এ বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
ফ্লোরা নাসরিন খান চ্যানেল আই অনলাইনকে বলেন, মিরপুরে বদ্ধ ঘরে নুরজাহান নামের একজন নারী মারা গেছেন। আমি তার জন্য সমবেদনা প্রকাশ করি। কিন্তু ওনার নিউজে আমার মা এবং বেগম পত্রিকার প্রখ্যাত সাংবাদিক নূরজাহান বেগমের ছবি জুড়ে দেওয়া হয়েছে। মিলিয়ন ভিউর জন্য অনেক প্রতিষ্ঠিত সংবাদমাধ্যমে এমন অপচেষ্টা করা হয়েছে। তাদের কাছে এমনটা আশা করি না। এটা অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে।
তিনি বলেন, আমি মনে করি, ঐতিহাসিক বেগম পত্রিকার প্রয়াত সম্পাদক নূরজাহান বেগমকে চিনবেন না, তারা সাংবাদিক হতে পারেন না। ভুল ছবি দিয়ে ভুয়া তথ্য ছড়ানো হবে, এটা বন্ধ করা দরকার।

লেখক পিয়াস মজিদ ফেসবুকে লিখেছেন, এই হচ্ছে ‘সচেতন’ গণমাধ্যমের অবস্থা! মহান একটি পত্রিকার অনলাইনে মিরপুরের সেই নূরজাহান বেগমকে নিয়ে তাদের ‘বিস্ফোরক’ প্রতিবেদনে ব্যবহার করছে ‘বেগম’ পত্রিকার কিংবদন্তি সম্পাদক নূরজাহান বেগমের ছবি। ভাবা যায়! বলি, এ সব জায়গায় কি ন্যূনতম পড়াশোনা করা লোকজন নেই, নিউজ ছাড়ার আগে একটু যাচাই- বাছাই করার!
লেখক ও শিক্ষক ইসমাইল সাদী লিখেছেন, ছবিটা দেখে চমকে উঠেছি! এই পত্রিকা বেশিরভাগ সময় প্রমাণ করে, তাদের সাংবাদিকদের জ্ঞান থাকলেও থাকতে পারে, তবে কাণ্ডজ্ঞান একেবারেই নাই!




