মালয়েশিয়ায় বেশি শ্রমিক পাঠানোর বিষয়ে সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে

মালয়েশিয়ায় বেশি শ্রমিক পাঠানোর বিষয়ে সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে

মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারে আরও বেশি সংখ্যক বাংলাদেশি শ্রমিক পাঠানোর বিষয়ে সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে বলে জানিয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল। আজ বুধবার প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের এক বছরের অগ্রগতির বিষয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

মালয়েশিয়ায় বেশি শ্রমিক পাঠানোর বিষয়ে সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা করছেমালয়েশিয়ায় বেশি শ্রমিক পাঠানোর বিষয়ে সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে

আসিফ নজরুল বলেন, ‘আগের সরকারের সঙ্গে আমাদের চুক্তি হয়ে আছে। আমাদের লিস্ট থেকে মালয়েশিয়া সিদ্ধান্ত নেবে। এটা চুক্তিতে আছে, চুক্তি কি আমি জোর করে বদলাতে পারি। আমি অনেকভাবে বোঝানোর চেষ্টা করছি, ভালো কিছু আশা করি। কিন্তু আমি জানি না দিন শেষে কী হবে।’

তিনি বলেন, ‘আমরা মালয়েশিয়ার সঙ্গে যত আলোচনা হয়েছে, আমরা বলেছি—সব রিক্রুটিং এজেন্সিকে সুযোগ দিতে। এবার গিয়েও বলেছি, সবাইকে সুযোগ দিতে। মনোপলি হলে শ্রমিকরা প্রতারিত হয়, খরচ বেড়ে যায়, মনোপলি হলে অনেক ধরনের দুর্নীতি হয়।

ফিলিপাইন, পাকিস্তান, নেপালের রিক্রুটিং এজেন্সি কয়েকশ’, আমাদের কয়েক হাজার। এ প্রসঙ্গ যখন তোলা হয় তখন আমি ওই দেশগুলোর সমান দিতে বলি। পাকিস্তানকে ৪০০ দিলে আমাদেরও ৪০০ দেওয়ার কথা বলেছি।’

তিনি বলেন, ‘এই বছর শুনেছি যে মালয়েশিয়া ৩০ হাজার শ্রমিক নেবে, আমরা বলেছি বোয়েসেলকে দিতে। আমরা আমাদের মতো সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। তবে আপনাদের মনে রাখতে হবে, মালয়েশিয়া একটি সার্বভৌম দেশ। আমরা তো তাদের জোর করতে পারি না।’

আসিফ নজরুল বলেন, ‘মালয়েশিয়ার সঙ্গে যখন কথা হয়েছে, আপনাদের দায়িত্ব নিয়ে বলছি, প্রথমবার আলোচনায় বলেছি—আমাদের সব এজেন্সিকে কাজ দেওয়ার জন্য। তারা বলেছে, আমাদের তো কয়েক হাজার এজেন্সি, তাদের কয়েকশ’। আমি বলেছি, তাহলে সবার ক্ষেত্রে একরকম করতে।’

মালয়েশিয়া যেতে না পারা কর্মীদের বিষয়ে উপদেষ্টা বলেন, ‘৭ হাজার ৯০০ কর্মীকে পাঠানোর ব্যবস্থা হয়েছে। মালয়েশিয়া বোয়েসেলের মাধ্যমে নিতে রাজি হয়েছে। আমাদের কার্যক্রম শুরু হয়েছে।’

মধ্যপ্রাচ্যের শ্রমবাজার নিয়ে তিনি বলেন, ‘সৌদি আরবের সঙ্গে কর্মী নিয়ে চুক্তি হচ্ছে। খসড়া তৈরি হয়েছে ইতোমধ্যে। খসড়া সৌদি আরবের সঙ্গে ফাইনাল করা হয়েছে।

এখন শুধু চুক্তিতে স্বাক্ষর বাকি। আমার কাছে সৌদি আরও জানতে চেয়েছে—সেপ্টেম্বরে আমি ফ্রি আছি নাকি, স্বাক্ষর করার জন্য সৌদি আরব যেতে পারব কিনা।’

Scroll to Top