
তেহরান, ৬ এপ্রিল – বিধ্বস্ত যুদ্ধবিমানের এক পাইলটকে উদ্ধারের উদ্দেশ্যে যুক্তরাষ্ট্রের চালানো সামরিক অভিযানের আড়ালে ইরান থেকে সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম চুরির চেষ্টা হয়ে থাকতে পারে বলে তেহরানের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
সোমবার ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই মার্কিন এই অভিযান ঘিরে সংশয় প্রকাশ করেছেন।
তিনি জানান, এই অভিযান নিয়ে অনেক প্রশ্ন ও অনিশ্চয়তা রয়েছে। কোহগিলুয়ে ও বোয়ের আহমদ প্রদেশের যে এলাকায় মার্কিন পাইলটের উপস্থিতির কথা বলা হয়েছে, সেটি মধ্য ইরানের সেই এলাকা থেকে অনেক দূরে অবস্থিত, যেখানে মার্কিন বাহিনীকে নামানোর চেষ্টা করা হয়েছিল।
ইসমাইল বাঘাই আরও উল্লেখ করেন যে, এটি সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম চুরির জন্য একটি প্রতারণামূলক অভিযান হওয়ার সম্ভাবনাকে কোনোভাবেই উপেক্ষা করা যায় না।
এর আগে গত রোববার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেন, গত শুক্রবার ইরানে বিধ্বস্ত একটি মার্কিন এফ ১৫ই যুদ্ধবিমানের দ্বিতীয় ক্রু সদস্যকে যুক্তরাষ্ট্র উদ্ধার করেছে। এই অভিযানকে তিনি একটি সাহসী তল্লাশি ও উদ্ধার অভিযান হিসেবে আখ্যায়িত করেন।
তবে মার্কিন পাইলটকে উদ্ধারে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের এই দাবি সরাসরি অস্বীকার করেছে ইরান। দেশটির খাতাম আল আম্বিয়া কেন্দ্রীয় সদরদপ্তরের মুখপাত্র ইব্রাহিম জুলফাগারি রোববার জানান, ইরানের সামরিক বাহিনী দক্ষিণ ইসফাহানে কয়েকটি মার্কিন বিমান ধ্বংস করার মাধ্যমে ওই উদ্ধার প্রচেষ্টা ব্যর্থ করে দিয়েছে।
তিনি আরও জানান, মার্কিন বাহিনী ইরানের মধ্যাঞ্চলে অনুপ্রবেশ করে পাইলটকে বের করে নেওয়ার জন্য মরিয়া চেষ্টা চালাচ্ছিল, কিন্তু সেই সময় ইরানের সশস্ত্র বাহিনী যৌথ অভিযান চালিয়ে তা নস্যাৎ করে দেয়।
এনএন/ ৬ এপ্রিল ২০২৬






