গবেষক রাজীব লোচন বলেন, ‘তুষার গলে যাওয়ায় ও সেখানে উদ্ভিদ জন্মানোর কারণে এসব পাখি এখন ধীরে ধীরে হিমালয়ের আরও উঁচুতে উঠে যাচ্ছে। একই সময় আলপাইন তৃণভূমিতে মানুষের দখল বেড়ে যাওয়ায় প্রাকৃতিক আবাসস্থল থেকেও মোনাল পাখিকে আরও উঁচুতে চলে যেতে হচ্ছে।’
অর্থাৎ একদিকে তাপমাত্রা ও তুষারপাতের পরিবর্তন, অন্যদিকে মানুষের দখল—দুই চাপেই মোনালের ঠিকানা বদলাচ্ছে। এর ফলও হতে পারে গুরুতর। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে মোনালকে যদি পাহাড়ের আরও উঁচুতে ছোট ও বিচ্ছিন্ন এলাকায় চলে যেতে হয়, তবে তাদের মৌসুমি চলাচল কঠিন হয়ে উঠবে। বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে পড়বে এই পাখিগুলোর দল।
এতে এক দলের সঙ্গে অন্য দলের প্রজননের সুযোগ কমবে। দীর্ঘ মেয়াদে মোনালের সংখ্যা কমে যাওয়া কিংবা কোনো কোনো এলাকায় স্থানীয়ভাবে বিলুপ্ত হয়ে যাওয়ার ঝুঁকিও বাড়তে পারে।
গবেষকেরা অবশ্য সতর্ক করে বলেছেন, এ মডেলের একটি গুরুত্বপূর্ণ সীমাবদ্ধতা রয়েছে। এতে ধরে নেওয়া হয়েছে, ভবিষ্যতেও মোনালের জন্য বর্তমানে আলপাইন তৃণভূমিতে যে জলবায়ু পরিস্থিতি রয়েছে, সেটিই উপযোগী থাকবে। এটি যুক্তিসংগত অনুমান হলেও নিশ্চিত নয়।

