কাকাদের মতে, অজিত পাওয়ার তাঁকেসহ বিঠল শেঠ মানিয়ার ও শ্রীনিবাস পাতিলের মতো প্রবীণ নেতাদের অনুরোধ করেছিলেন, যেন তাঁরা এই মিটমাটের ব্যাপারে মধ্যস্থতা করেন। এসব নেতার সঙ্গে শারদ পাওয়ারের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে।
অজিত পাওয়ারের সঙ্গে আলোচনার কথা স্মরণ করে কাকাদে বলেন, ‘তিনি বলেছিলেন, “সাহেবের (শারদ পাওয়ার) সঙ্গে আপনাদের ভালো সম্পর্ক। দয়া করে তাঁর সঙ্গে কথা বলুন। দেখুন, কীভাবে এনসিপির দুই পক্ষ আবার এক হতে পারে”।’
অজিত পাওয়ার বলেছিলেন, ১২ ডিসেম্বর এক হওয়ার কথা থাকলেও তা হয়ে ওঠেনি। তবে নির্বাচনের পর তারা এক হবেন। কাকাদে আক্ষেপ করে বলেন, ‘দুর্ভাগ্যবশত, তিনি সেই ইচ্ছা পূরণ করে যেতে পারলেন না।’


