প্রস্তুতির সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত আছেন হোয়াইট হাউসের ডেপুটি চিফ অব স্টাফ স্টিফেন মিলার ও বাজেট পরিচালক রাসেল ভোট। নতুন কোনো আইন ছাড়াই ট্রাম্প কী কী পদক্ষেপ নিতে পারবেন, সেটার নানা দিক তাঁরা আইনজীবীদের সঙ্গে নিয়ে খতিয়ে দেখছেন। এ প্রস্তুতির বিষয়ে ট্রাম্পকে জানানো হয়েছে। তিনিও এসব আলোচনায় অংশ নিয়েছেন।
সম্ভাব্য পদক্ষেপের মধ্যে রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ খনিজ ও বায়ুবিদ্যুৎ উৎপাদনের টারবাইন আমদানিতে নতুন শুল্ক আরোপ। বিদেশি শিক্ষার্থী ও অস্থায়ী কর্মীদের ভিসার শর্ত আরও কঠোর করা হতে পারে। আবাসন ও নির্মাণব্যয় কমানোর পদক্ষেপও বিবেচনায় রয়েছে।
কংগ্রেস এরই মধ্যে যেসব খাতে অর্থ বরাদ্দ করেছে, সেসব অর্থ ব্যবহার করে নতুন কী কী উদ্যোগ নেওয়া যায়, তা খতিয়ে দেখছেন বাজেট পরিচালক রাসেল ভোট। সরকারি অনুদান দেওয়ার নিয়মও তিনি বদলাতে চান। এতে কোন প্রকল্প অর্থ পাবে, তা নির্ধারণে রাজনৈতিক নিয়োগপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের প্রভাব বৃদ্ধি পেতে পারে।
দ্বিতীয় মেয়াদে শুল্ক আরোপ, অভিবাসন অভিযান, কেন্দ্রীয় সরকারের বিভিন্ন দপ্তর থেকে কর্মী ছাঁটাই এবং ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নির্বাহী ক্ষমতা ব্যবহার করেছেন ট্রাম্প। তবে বড় ধরনের কর ও ব্যয় হ্রাসের প্যাকেজ বাস্তবায়নে তিনি কংগ্রেসের অনুমোদন নিয়েছেন।
নির্দলীয় বিশ্লেষণ প্রতিষ্ঠান ইনসাইড ইলেকশনসের সম্পাদক নাথান গঞ্জালেসের মতে, গত দুই বছরে ট্রাম্প মূলত কংগ্রেসকে পাশ কাটিয়ে চলেছেন। নির্বাহী ক্ষমতা ব্যবহার করে যতটা সম্ভব কাজ করেছেন। কংগ্রেসে ডেমোক্র্যাটরা সংখ্যাগরিষ্ঠ হলে এই ধারা অব্যাহত থাকতে পারে।

