বিকাল গড়িয়ে সন্ধ্যা নামতেই কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের আকাশে দেখা মিলেছে রহস্যময় আলোর এক দীর্ঘ রেখা, যা দেখতে অনেকটা ক্ষেপণাস্ত্রের মতো। বিরল এ দৃশ্য ঘিরে সৈকতে থাকা পর্যটক ও স্থানীয়দের মধ্যে সৃষ্টি হয় চাঞ্চল্য। কেউ মোবাইলে মুহূর্তটি ধারণে ব্যস্ত হয়ে পড়েন, আবার অনেকেই আতঙ্কিত হয়ে বিষয়টি নিয়ে নানা জল্পনা শুরু করেন।

পরে জানা যায়, ভারতের জলসীমায় দূর পাল্লার মিসাইল পরীক্ষা করা হয়েছে। যা দেখা গেছে বাংলাদেশের উপকূলীয় সীমান্ত এলাকায়। শুক্রবার (৮ মে) সন্ধ্যায় কক্সবাজারের সমুদ্র সৈকত থেকে দেখা গেছে দৃশ্যটি। ঠিক একই রকম দৃশ্য দেখা গেছে বাগেরহাটে সুন্দরবন এলাকার শরণখোলা পয়েন্টে।
ভারতের জলসীমায় দূর পাল্লার এই মিসাইল পরীক্ষার বিষয়টি সম্পর্কে আগেই জানতো বাংলাদেশের নৌবাহিনী।
কক্সবাজারে এক পর্যটক বলেন, ‘হঠাৎ দেখতে পেয়ে প্রথমে ভয় পেয়েছি। দেখতে অনেকটা ইরান-ইসরাইল যুদ্ধের মিসাইলের মতো। পরে অবশ্য বিষয়টিকে উপভোগ করেছি। বিভিন্ন সময় চান্দের আলো উপভোগ করেছি প্রথমবার এমন রেখা দেখতে পেলাম।’
আরেক পর্যটক সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘পরিবার নিয়ে বেড়াতে এসেছি। এমন দৃশ্যের সাক্ষী হবো ভাবিনি। তবে সবাই বিষয়টিকে উপভোগ করেছে।’
তবে এ বিষয়ে জানতে চাইলে কোনো মন্তব্য করেননি কক্সবাজারের আবহাওয়া অফিসের আবহাওয়াবিদ আব্দুল হান্নান।
এদিকে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছিল, বঙ্গোপসাগরে নিজেদের আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক মিসাইল ‘অগ্নি-৬’-এর পরীক্ষা চালাতে পারে ভারত। ৬ থেকে ৯ মে পর্যন্ত বঙ্গোপসাগরের আকাশসীমায় বিধিনিষেধ আরোপ করে ভারত।
আরও পড়ুন : ২০২৬ সালে যে ৮ দক্ষতা আপনাকে সফলতা এনে দেবে
এ বিষয়ে তারা ‘নোটিশ টু এয়ারম্যান (নোটাম)’ জারি করেছে বলে গতকাল বৃহস্পতিবার এক প্রতিবেদনে জানায় সংবাদমাধ্যম ইকোনোমিক টাইমস। এই বিধিনিষেধটি ওড়িশার আব্দুল কালাম দ্বীপ থেকে ৩ হাজার ৫০০ কিলোমিটার অঞ্চলজুড়ে প্রযোজ্য হবে।



