একসময় ‘আশিকি’-র রোম্যান্টিক হিরো হিসেবে রাতারাতি জনপ্রিয় হয়ে উঠেছিলেন রাহুল রায়। নব্বই দশকের অন্যতম জনপ্রিয় মুখ ছিলেন তিনি। কিন্তু ২০২০ সালে আচমকাই তার জীবনে নেমে আসে ভয়াবহ বিপর্যয়।
ব্রেন স্ট্রোকে আক্রান্ত হওয়ার পরে একটা সময় অভিনেতার নিজেরই জানা ছিল না, তিনি আদৌ আবার স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারবেন কি না। এমনকি হাঁটতে বা কথা বলতে পারবেন কি না, তা নিয়েও তৈরি হয়েছিল অনিশ্চয়তা।
সম্প্রতি সেই কঠিন সময়ের কথা ফিরে দেখেছেন রাহুল। জানিয়েছেন, স্ট্রোকের পর তার জীবনযাত্রা আমূল বদলে গেছে। এখনও প্রতিদিন নিয়ম করে ওষুধ খেতে হয় তাকে। তবে আগের তুলনায় এখন অনেকটাই সুস্থ তিনি এবং ধীরে ধীরে আবার কাজের জগতেও ফিরছেন।
২০২০ সালের নভেম্বর মাসে কার্গিলে ‘এলএসি-লাইভ দ্য ব্যাটল’ ছবির শুটিং করছিলেন রাহুল রায়। সেখানেই তিনি সেরিব্রোভাসকুলার স্ট্রোকে আক্রান্ত হন। প্রথমে তাকে শ্রীনগরে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে মুম্বাইয়ে এনে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। নানাবতী হাসপাতালে বেশ কিছুদিন চিকিৎসাধীন ছিলেন অভিনেতা, এমনকি আইসিইউ-তেও থাকতে হয়েছিল তাকে।
সেই সময়টা যে কতটা ভয়াবহ ছিল, তা এখনও স্পষ্ট মনে আছে রাহুলের। স্ট্রোকের পরে তার কথা বলার সমস্যা তৈরি হয়েছিল। ভবিষ্যতে তার শারীরিক পরিস্থিতি কোন দিকে যাবে, সে সম্পর্কে চিকিৎসকরাও তখন নিশ্চিতভাবে কিছু বলতে পারেননি।
এক সাক্ষাৎকারে রাহুল জানান, তার সবচেয়ে বড় দুশ্চিন্তা ছিল কথা বলার সমস্যা নিয়ে। কারণ ব্রেন স্ট্রোকের পরে তিনি নিজেই জানতেন না, আদৌ আবার হাঁটতে পারবেন কি না, কিংবা স্বাভাবিকভাবে কথা বলতে পারবেন কি না। সেই সময়টা যে কতটা ভয়াবহ ছিল, তা এখনও স্পষ্ট মনে আছে রাহুলের। স্ট্রোকের পরে তার কথাবলার সমস্যা তৈরি হয়েছিল। ভবিষ্যতে তার শারীরিক পরিস্থিতি কোন দিকে যাবে, সে সম্পর্কে চিকিৎসকরাও তখন নিশ্চিতভাবে কিছু বলতে পারেননি।
এক সাক্ষাৎকারে রাহুল জানান, তার সবচেয়ে বড় দুশ্চিন্তা ছিল কথা বলার সমস্যা নিয়ে। কারণ ব্রেন স্ট্রোকের পরে তিনি নিজেই জানতেন না, আদৌ আবার হাঁটতে পারবেন কি না, কিংবা স্বাভাবিকভাবে কথা বলতে পারবেন কি না।
স্ট্রোকের পর রাহুলের জীবনযাত্রাতেও এসেছে বড় পরিবর্তন। আগে তিনি ধূমপান করতেন এবং আমিষ খাবার খেতেন। কিন্তু অসুস্থতার পর সম্পূর্ণ বদলে ফেলেছেন নিজের খাদ্যাভ্যাস ও দৈনন্দিন রুটিন। অভিনেতা জানিয়েছেন, এখন তিনি ভেগান খাবার খান। পাশাপাশি ধূমপান পুরোপুরি ছেড়ে দিয়েছেন। খাবারের ক্ষেত্রেও বেশ কিছু পরিবর্তন এনেছেন। এমনকী পেঁয়াজ ও রসুনও এড়িয়ে চলেন তিনি।
তার প্রতিদিনের রুটিনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ এখন ওষুধ। রাহুল জানিয়েছেন, প্রতিদিন সকালের খাবার খাওয়ার পর তাকে আটটি ওষুধ খেতে হয়। তবে এই নিয়ম মেনে চলার পরে তিনি আগের চেয়ে অনেকটাই সুস্থ আছেন বলে জানিয়েছেন।