
ছবি: সংগৃহীত
সংকটে পড়া ব্যাংকের পুরোনো শেয়ারধারীদের শর্তসাপেক্ষে আবার ওই ব্যাংকের শেয়ার, সম্পদ ও দায় নেওয়ার সুযোগ বাতিলের সুপারিশ করেছে অর্থ মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি।
শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদে অনুষ্ঠিত কমিটির বৈঠকে ব্যাংক রেজল্যুশন (সংশোধন) বিল পর্যালোচনা করে সংশোধিত আকারে সংসদে পাসের জন্য এ সুপারিশ করা হয়।
কমিটির সদস্য ও জামায়াতের সংসদ সদস্য সাইফুল আলম খান মিলন সাংবাদিকদের বলেন, বৈঠকের এজেন্ডায় মূলত ব্যাংক রেজল্যুশন আইনের ১৮(ক) ধারা বাতিলের প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা হয়েছে। ধারাটি পরিবর্তনের বিষয়ে তারা একমত হয়েছেন। তিনি বলেন, আইএমএফের ঋণের শর্ত হিসেবেও ধারাটি বাদ দেওয়ার কথা বলা হয়েছে বলে তারা জানেন।
অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে জারি করা ব্যাংক রেজল্যুশন অধ্যাদেশে একীভূত হওয়া সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের পুরোনো ও বিতর্কিত মালিকদের ফেরার সুযোগ ছিল না। পরে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে ওই ধারা বাতিল করে পুরোনো মালিকদের ফেরার সুযোগ রেখে আইনটি পাস করা হয়। এ নিয়ে সংসদে বিরোধী দল আপত্তি জানায় এবং সংসদের বাইরে সমালোচনা হয়। উন্নয়ন সহযোগীরাও এতে আপত্তি জানায় বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
এরপর ১০ আগস্ট মন্ত্রিসভার বৈঠকে আইনের ১৮(ক) ধারা বাতিলের সংশোধনী অনুমোদন হয়। বৃহস্পতিবার অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী সংশোধনী বিলটি সংসদে উত্থাপন করলে দুই কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য তা সংসদীয় কমিটিতে পাঠানো হয়।
বৈঠকে সাইফুল আলম খান মিলন দেশের আর্থিক খাতের অবস্থা নাজুক বলে মন্তব্য করেন। তার আশঙ্কা, অর্থনৈতিক পরিস্থিতি খারাপ হলে এর প্রভাব সবার ওপর পড়বে। তিনি ব্যাংক রেজল্যুশন আইনটি পুরোপুরি পর্যালোচনারও দাবি জানান।
সাইফুল আলম বলেন, একীভূত করা পাঁচটি ব্যাংকের সম্পদ ও দায় আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে পর্যালোচনা করা প্রয়োজন।
বৈঠকে কমিটির সভাপতি মুশফিকুর রহমান, অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি, মঈনুল ইসলাম খান, শাহাদাত হোসেন, সাইফুল আলম খান মিলন ও সৈয়দ জয়নুল আবেদীন উপস্থিত ছিলেন।
প্রতিবেদক
চ্যানেল আই অনলাইন
চ্যানেল আই অনলাইন
আরও পড়ুন
পরবর্তী সংবাদ প্রস্তুত হচ্ছে…