প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পুরোনো ভিডিও ছড়িয়ে বিভ্রান্তি তৈরির চেষ্টা করা হয়েছে। তিন দিন আগের একটি ভিডিও ভাইরাল করে সরকারকে বিতর্কিত করার চেষ্টা করা হয়েছে। কিন্তু এখন পশু কেনাবেচা নির্ধারিত হাটের ভেতরেই চলছে।
প্রতিমন্ত্রী জানান, রাস্তার ওপর পশু চলে আসায় কিছু জায়গা নোংরা হয়েছিল। তবে সকাল থেকেই পরিচ্ছন্নতার কাজ শুরু হয়েছে। সিটি করপোরেশনের কর্মী ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করছেন বলেও জানান তিনি। তাঁর ভাষায়, ‘মেট্রোর আশপাশে কোনো পশু কেনাবেচা চলবে না।
আমরা সরিয়ে দিয়েছি এবং ভবিষ্যতেও এমন কর্মকাণ্ড হতে দেওয়া হবে না।’
এর আগে গত সোমবার ওই হাট সরেজমিনে গিয়ে মেট্রোস্টেশনের নিচে গরুর হাট বসানো নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন ঢাকা উত্তর সিটির প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান। তখন তিনি ওই অঞ্চলে ঢাকা উত্তর সিটির আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তাকে বলছিলেন, ‘এই অবস্থা কেন, এইটার নিচে থাকা কি ঠিক?’ তখন আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তাকে বলতে শোনা যায়, ‘স্বেচ্ছাসেবক দলের যে সভাপতি আছে স্যার, আপনি তাকেও যদি একটু কঠোরভাবে বলেন, ওরা তো অনেক কিছুই মানতেছে না।’ তখন প্রশাসক বলেন, ‘মানতেছে না, মানাইতে হবে। ফাইন করেন। লক্ষ লক্ষ টাকা ফাইন করেন। আর ফোর্স আইনা উঠাই দেন।’ পরে প্রশাসক আরও বলেন, ‘এইটা তো হইল না। সব জায়গায় সুন্দর ব্যবস্থাপনা, এইখানে আইসা দেখলাম এটা হইল না।’



