এই উভয় প্রকৃতির তেলের দাম গতকাল ব্যারেলপ্রতি ১ শতাংশের বেশি কমেছে। যুক্তরাষ্ট্রের মজুত বৃদ্ধির সঙ্গে ডলারের বিনিময় হার বৃদ্ধির কারণেও এই পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে বলে সংবাদে উল্লেখ করা হয়েছে।
সংবাদে বলা হয়েছে, গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের গ্যাসোলিন মজুত বেড়েছে ৬ দশমিক ৩ মিলিয়ন ব্যারেল বা ৬৩ লাখ ব্যারেল। ফলে মজুত বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৩৭ দশমিক ৭ মিলিয়ন বা ২৩ কোটি ৭৭ লাখ ব্যারেল। যদিও রয়টার্সের জরিপে বিশ্লেষকদের ধারণা ছিল, মজুত বাড়তে পারে বড়জোর ১৬৫ লাখ ব্যারেল। অর্থাৎ প্রত্যাশার চেয়ে মজুত বৃদ্ধির হার বেশি।
তবে ব্রেন্ট ক্রুডের মজুত কমেছে ৯ লাখ ৫৯ হাজার ব্যারেল। তারপরও আজ ব্রেন্ট ক্রুডের দাম কমেছে। বিশ্লেষকেরা বলছেন, যুক্তরাষ্ট্রের মজুত বেড়ে যাওয়ায় বাজারে তেলের সরবরাহ কিছুটা বেড়েছে, কিন্তু এর প্রভাবে দাম তেমন একটা কমবে না। কারণ হিসেবে তাঁরা বলছেন, এখন শীতকাল, এই সময় শীতপ্রধান দেশগুলোতে জ্বালানির চাহিদা বেড়ে যায়।