ঠিক ৪৫ দিন পর যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা এবং মেক্সিকোয় গড়াবে মহাযজ্ঞ ফিফা বিশ্বকাপ। এর আগে টিকিটের দাম, ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ, বিশ্বকাপের পুরস্কারের অর্থ ও সংস্থাগুলোর উন্নয়ন তহবিল বৃদ্ধির মতো বিভিন্ন বিষয়ের মুখোমুখি হচ্ছে ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা। আসরের উচ্চ পরিচালন ব্যয় নিয়ে কিছু জাতীয় দলের সংস্থার উদ্বেগ প্রকাশের পর বিশ্বকাপের পুরস্কারের অর্থ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে ফিফা।
ফেব্রুয়ারিতে একটি গণমাধ্যম ইউরোপীয় দলগুলোর সংস্থার সাথে কথা বলে জানায়, কিছু ইউরোপীয় দেশ উত্তর আমেরিকায় অনুষ্ঠিতব্য টুর্নামেন্টে অংশ নিয়ে আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা করছে, এবং কর্মকর্তারা আশা করছেন এবারের খরচ চার বছর আগের কাতারের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি হবে। ইউরোপীয় সংস্থাগুলো সেসময় জানিয়েছিল, রেকর্ড পরিমাণ পুরস্কারের অর্থ থাকা সত্ত্বেও কাতারের তুলনায় এই টুর্নামেন্টের উচ্চ ব্যয় নিয়ে তাদের উদ্বেগ রয়েছে। এরমধ্যে কর সংক্রান্ত নিশ্চয়তার অভাব নিয়েও উদ্বেগ আছে, যেটি আবার যুক্তরাষ্ট্রে রাজ্যভেদে ভিন্ন হয়।
এ সময়কালীন ফিফা বিশ্বজুড়ে জাতীয় সংস্থাগুলোর সাথে বিষয়টি আলোচনা করেছিল এবং এখন অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর জন্য পুরস্কারের অর্থ বাড়ানোর পাশাপাশি বিশ্বকাপ থেকে প্রাপ্ত উন্নয়ন তহবিলও ২১১টি সদস্য সংস্থার সকলের জন্য বৃদ্ধি করতে চলেছে। ফলে বাংলাদেশও সেই আর্থিক তহবিলের মধ্যে পড়বে।
তহবিল বৃদ্ধি নিয়ে আলোচনা চলছে, মঙ্গলবার ভ্যাঙ্কুভারে ফিফা কাউন্সিলের বৈঠকে একটি প্যাকেজ অনুমোদনের কথা রয়েছে। ফিফার একজন মুখপাত্র বলেছেন, ‘আগামী ২৮ এপ্রিল কানাডার ভ্যাঙ্কুভারে অনুষ্ঠিত কাউন্সিল বৈঠকের আগে ফিফা নিশ্চিত করছে, উপলব্ধ রাজস্ব বাড়ানোর জন্য তারা বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন সংস্থার সাথে আলোচনা করছে।’
‘ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬’তে যোগ্যতা অর্জনকারী সকল দলের আর্থিক অনুদান বৃদ্ধি এবং ২১১টি সদস্য সংস্থার জন্য উপলব্ধ উন্নয়ন তহবিল বৃদ্ধির প্রস্তাব রয়েছে। বিশ্ব ফুটবল অঙ্গনে আর্থিক অবদানের দিক থেকে ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ একটি যুগান্তকারী আয়োজন হবে এবং ফিফা তার ফরোয়ার্ড কর্মসূচির মাধ্যমে বিশ্ব ফুটবলের উন্নয়নে অবদান রাখার জন্য সর্বকালের সবচেয়ে শক্তিশালী আর্থিক অবস্থানে থাকতে পেরে গর্বিত।’
গত ডিসেম্বরে ফিফা রেকর্ড ৭২৭ মিলিয়ন ডলার পুরস্কারের অর্থ অনুমোদন করেছিল, যা ৪৮টি দলের মধ্যে ভাগ করে দেয়া হবে এবং এরমধ্যে বিজয়ী দলের জন্য থাকবে ৫০ মিলিয়ন ডলার।




