মাহমুদুর রহমান বলেন, ‘বিএনপির সঙ্গে একটা নির্বাচনী সমঝোতা হয়েছিল, তারা বগুড়া-২ আসন থেকে আমাকে প্রার্থী ঘোষণা করেছিল। কিন্তু আদালতে সময় লাগার এই ফাঁকে যিনি আমাকে নির্বাচন থেকে সরে রাখতে কলকাঠি নেড়েছেন, তারা এখানে ডামি প্রার্থী দেয়। বলেছিল, যথাসময়ে তারা এটা দেখবে।’ তিনি বলেন, ‘সংগত কারণে মাসখানেক পর পরশু এলাকায় এসেছি। আসার পর থেকেই দেখলাম, এলাকায় প্রচার চালানো হচ্ছে, ক্ষমতায় তো যাচ্ছিই, আমার (মান্না) পক্ষে যাঁরা কাজ করবেন, তাঁদের বিরুদ্ধে অ্যাকশন নেওয়া হবে বলে “থ্রেট” করা হচ্ছে। এভাবে ভোটারদের, কৃষক, গৃহবধূ, ইউনিয়নের নেতাদের মামলায় ফাঁসানোর ভয় দেখানো হচ্ছে। এখানে–ওখানে শক্তি প্রদর্শন করার চেষ্টা হচ্ছে।’
মাহমুদুর রহমান বলেন, ‘নাগরিক ঐক্যের নারী সংগঠন আছে। সংগঠনের নারী সদস্যদের গতকাল সোমবার কেটলির প্রচার চালাতে আসার সময় শিবগঞ্জ উপজেলার মোকামতলা ও দেউলিতে পথ আটকে বাধা দেওয়া হয়েছে। আজ মঙ্গলবার সকালে হ্যান্ডমাইকে কেটলির পক্ষে প্রচারে নামলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে ভয় দেখানো হয়েছে। থানায় মামলা দিতে গেলেও পুলিশ মামলা নেয়নি।’



