বাংলাদেশ দলে কেউ যেন নিজেকে অপরিহার্য মনে না করে | চ্যানেল আই অনলাইন

বাংলাদেশ দলে কেউ যেন নিজেকে অপরিহার্য মনে না করে | চ্যানেল আই অনলাইন

এই খবরটি পডকাস্টে শুনুনঃ

বাংলাদেশ নারী ফুটবল দলের দায়িত্ব নিয়েই নিজস্ব পরিকল্পনায় এগোচ্ছেন পিটার জেমস বাটলার। ফিফা উইন্ডোতে চাইনিজ তাইপের বিপক্ষে দুটি আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচের স্কোয়াডে রেখেছিলেন ৪ নতুন মুখ। প্রথম ম্যাচে তারকা মিডফিল্ডার সানজিদা আক্তারকে শুরুতে না নামিয়ে মুনকি আক্তারের অভিষেক ঘটান। পরের খেলায় অধিনায়ক সাবিনা খাতুনকেও শুরুতে মাঠে না নামিয়ে ব্রিটিশ এ কোচ আলোচনার জন্ম দেন। পরে ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে বাঘিনীদের কোচ কড়া বার্তাই দিলেন। 

সাবিনার পরে খেলতে নামলেও বেঞ্চে ছিলেন বেঞ্চে মাসুরা পারভীন, মাতসুসিমা সুমাইয়া ও শাহেদা আক্তার রিপা। তাদের বদলে শুরুতে মাঠে ছিলেন শামসুন্নাহার সিনিয়র, আনাই মগিনি, স্বপ্না রাণী ও শামসুন্নাহার জুনিয়র।

ম্যাচের পর জেমস বাটলার বলেন, ‘আমি দলে পরিবর্তন এনেছি। এমনটা করে যাব। আমার পরিকল্পনা অনুযায়ী দল সাজাব। জনপ্রিয় কোচ হতে চাই না, সবার শ্রদ্ধা অর্জন করতে চাই। এটা অনেকেই পছন্দ করবেন না। তবে আমি একটা কথা বলতে চাই, কেউ যেন এই দলে নিজেকে অপরিহার্য মনে না করে। প্রত্যেককেই নিজের জায়গার জন্য লড়তে হবে। বাংলাদেশ যদি নারী ফুটবলে এগিয়ে যেতে চায়। তাহলে গোটা দলকে সুশৃঙ্খল হতে হবে।’

সানজিদা ও মাসুরা খেলার মতো ফিট ছিল না বলে জানান বাটলার। তার সাফ কথা, ‘সানজিদার বয়স যদিও সাবিনার চেয়ে কম। আমি লিগের পারফরম্যান্স একেবারেই বিবেচনায় নিচ্ছি না। যখন ১২-০, ১৫-০, ১৬-০ গোলের ম্যাচ হয়, এটা ভালো কিছু নয়। আপনি এই আন্তর্জাতিক ম্যাচগুলো থেকে শিখবেন।’

অধিনায়ক সাবিনা খাতুনের অবদানের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে মোটেও কার্পণ্য করেননি টিম টাইগ্রেসের কোচ। তবে নতুন ফুটবলারদের সুযোগ দেয়ার পক্ষে স্পষ্টভাবেই নিজের অবস্থানের ঘোষণা জোরালো কন্ঠেই জানিয়ে দেন।

‘তার প্রতি আমার শ্রদ্ধা আছে এবং চমৎকারভাবে বাংলাদেশকে সেবা দিয়েছে। কিন্তু এখন সময় নতুন, তরুণদের দিকে দৃষ্টি দেওয়ার, শামসুন্নাহার জুনিয়র, প্রীতি, ঋতুপর্ণা, মনিকা আজ দুর্দান্ত ছিল।’

চাইনিজ তাইপের সঙ্গে প্রথম ম্যাচে জুটেছিল ৪-০ গোলের বড় পরাজয়। তবে পরেরটিতে বাঘিনীরা ১-০ গোলে হারলেও সমান তালে লড়াই চালায়। দলের পারফরম্যান্সে তাই সন্তুষ্ট কোচ।

‘প্রথম প্রীতি ম্যাচ দেখার পর এ ম্যাচে কিছু পরিবর্তন এনেছিলাম। প্রথম ম্যাচে আমরা ২৬ মিনিটের মধ্যে তিন গোল হজম করেছিলাম। যে কারণে ম্যাচ সেখানেই হাতছাড়া হয়ে গিয়েছিল। এ ম্যাচে আমাদের মেয়েরা যেভাবে ঘুরে দাঁড়াল, আত্মবিশ্বাসী হয়ে খেলল, তাতে আমি খুশি।’

Scroll to Top