ইসাকের আরেক ভাগনে সাজাহান মিয়া বলেন, ‘সপ্তাহখানেক আগে অনলাইনে এক ভিডিওতে দেখা যায়, মামা কুমারখালী স্টেশনে। তিনি (ইসাক) গ্রামের নাম ও নানা–মামাদের নাম বলছেন। পরে স্থানীয় সাংবাদিক মনোয়ারের সঙ্গে যোগাযোগ করে আজ মামাকে নিতে এসেছি। তাঁর বাড়িতে কেউ নেই। আমরাই তাঁর চিকিৎসা করাব। যত দিন বাঁচে, আদর–যত্ন করব। মামাকে পেয়ে সবাই খুশি।’
ইসাকের ভাতিজা তাহের মিয়া বলেন, ‘ফেসবুকে একটি পত্রিকার ভিডিও দেখে চাচাকে খুঁজে পেয়েছি। বাবার মুখে চাচার অনেক গল্প শুনতাম। এত দিন পরে চাচাকে ফিরে পাব, তা কল্পনাও করিনি। বাবা বেঁচে থাকলে অনেক খুশি হতো। মিডিয়া আর ফেসবুকের কল্যাণে চাচাকে ফিরে পাওয়া গেছে।’
স্থানীয় ব্যবসায়ী আবু বক্কর সিদ্দিক বলেন, ২৬ দিন আগে স্টেশনের পাশে অচেতন অবস্থায় পড়ে ছিলেন ইসাক। প্রথমে সবাই ভেবেছিলেন মৃত। পরে উদ্ধার করে চিকিৎসা ও খাবার দেওয়ার পর অল্প অল্প করে কথা বলা শুরু করেন। এরপর তাঁকে নিয়ে খবর প্রকাশ হলে তাঁর ভাগনে ও ভাতিজা আজ নিতে এসেছে। স্বজনদের কাছে তাঁকে ফিরিয়ে দিতে পেরে সবাই খুশি।



