প্রেম ও দ্রোহের গল্পে সাজানো ২৬তম টোকিও ফিল্মেক্স আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব

প্রেম ও দ্রোহের গল্পে সাজানো ২৬তম টোকিও ফিল্মেক্স আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব

ব্যক্তিগত ট্রমা, প্রেমের দ্বন্দ্ব, তারুণ্যের দ্রোহ, শ্রমিকের সংগ্রাম, অভিবাসন, পারিবারিক ও সামাজিক চাপ, কিংবা জাতীয় মুক্তির লড়াই—এ রকম বৈচিত্র্যময় বিষয়ের চলচ্চিত্র নিয়ে এবার হাজির হয়েছিলেন সারা বিশ্ব থেকে এশীয় ও এশীয় বংশোদ্ভূত নির্মাতারা। এ প্রসঙ্গে ‘প্রথম আলো’র আলাপ হয় ফিল্মেক্সের প্রোগ্রামিং ডিরেক্টর কামিয়া নাওকির সঙ্গে। উৎসবে প্রদর্শিত চলচ্চিত্রগুলোর বিষয়-বৈচিত্র্যের উল্লেখ করে তাঁর কাছে জানতে চাওয়া হয়, এ ক্ষেত্রে তিনি বিশেষ কোনো থিম মাথায় রেখেছেন কি না? জবাবে কামিয়া বলেন, ‘বিশেষ কোনো বিষয় বা থিম নিয়ে আমি ভাবিনি, বরং একেকজন চলচ্চিত্র পরিচালকের নিজস্ব নির্মাণশৈলীর অনন্যতার ওপর নজর দিয়েছি। তাই বিষয়ের মধ্যে এমন ভিন্নতা এসেছে।’ প্রতিযোগিতা বিভাগে অংশগ্রহণের জন্য বাংলাদেশের কোনো চলচ্চিত্র এবার জমা পড়েছিল কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি একাধিক চলচ্চিত্র জমা পড়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তবে এবার সফল না হলেও ভবিষ্যতে সেগুলো সাফল্যের মুখ দেখবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন কামিয়া।
এবারের প্রতিযোগিতা বিভাগের চলচ্চিত্রগুলো হচ্ছে—দক্ষিণ কোরীয় নির্মাতা ইউন গা-ইউনের ‘দ্য ওয়ার্ল্ড অব লাভ’, তাইওয়ানি পরিচালক সু-কি’র প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘গার্ল’, কোরীয়-কানাডীয় নির্মাতা লয়েড লি চোইয়ের ‘লাকি লু’, জর্জিয়ান পরিচালক আলেকজান্দ্রে কোবেরিডজের ‘ড্রাই লিফ’, প্যারিস নিবাসী জাপানি বংশোদ্ভূত পরিচালক আকিহিরো হাতার ‘সাইট’, তাইওয়ানি-মার্কিন পরিচালক সু শিহ-চিংয়ের ‘লেফট হ্যান্ডেড গার্ল’, ইরানি নির্মাতা আমির আজিজির ‘ইনসাইড আমির’, সিঙ্গাপুরীয় পরিচালক তান সু-ইউর ‘অ্যামিবা’, জাপানি নির্মাতা তাকুইয়া উচিয়ামার ‘নাম্ব’ এবং ভারতীয় পরিচালক রোহান পরশুরাম কানাওয়াডের ‘ক্যাকটাস পিয়ার্স’। প্রতিযোগিতা বিভাগের জুরি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন চীনা চলচ্চিত্র পরিচালক সং ফ্যাং, সুইজারল্যান্ডের চলচ্চিত্র পরিচালক র‍্যামন জুরচার ও আর্জেন্টিনার চলচ্চিত্র পরিচালক মাতিয়াস পিনেইরো।

Scroll to Top