একতরফা প্রেমে ব্যর্থ হয়ে ক্লাসে ঢুকে গুলি করে সহপাঠী ছাত্রীকে হত্যার পর ঐ পিস্তলের গুলিতে আত্মহত্যা করেছেন এক শিক্ষার্থী।
সোমবার ৯ ফেব্রুয়ারি পাঞ্জাবের তরণতারণ জেলায় উসমা গ্রামে অবস্থিত মাই ভাগো ল-কলেজে এ ঘটনা ঘটে।
এনডিটিভির প্রতিবেদনে জানা যায়, সোমবার সকালে ক্লাস শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই ক্লাসে ঢুকে সহপাঠীকে গুলি চালিয়ে বাইরে বেরিয়ে নিজের মাথায় গুলি করে আত্মহত্যা করেন ওই ছাত্র। নিহত দু’জনেই আইন কলেজের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী।
নিহত ছাত্রীর নাম সন্দীপ কৌর, তিনি নওশেরা পান্নুয়ার বাসিন্দা। আর আক্রমণকারী ছাত্রের নাম প্রিন্স রাজ। তিনি মালিয়ান গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন।
প্রাথমিক পুলিশ তদন্তে পুলিশের ধারণা, তাদের মধ্যে একতরফা প্রেমের সম্পর্ক ছিল। সেই কারণেই মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটেছে।
ইতিমধ্যেই ঘটনাস্থল থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত পিস্তলটি উদ্ধার করা হয়েছে। এই ঘটনায় কলেজ ক্যাম্পাসে শোকের ছায়া নেমে এসেছে এবং ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে।
সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গেছে, প্রিন্স রাজ যখন ক্লাসরুমে প্রবেশ করছিলেন, তখন সেখানে বসে ছিলেন সন্দীপ কৌর নামের ওই ছাত্রী। এরপর ছাত্রটি তার মাথায় লক্ষ্য করে খুব কাছ থেকে গুলি ছোঁড়ে। এর পরপরই সে পিস্তলে পুনরায় গুলি লোড করে নিজের মাথায় গুলি করে। সাথে সাথে দু’জনের মৃত্যু হয়।
স্থানীয় পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্ত কীভাবে আগ্নেয়াস্ত্রটি সংগ্রহ করেছিল এবং কীভাবে সে অস্ত্র নিয়ে কলেজ প্রাঙ্গণে প্রবেশ করতে সক্ষম হয়েছিল, বিস্তারিত তদন্ত চলছে। তবে গুলি করার পরেই গুরুতর অবস্থায় প্রিন্সকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে যেখানে তিনি মারা যান।
ঘটনার পর ক্যাম্পাসে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে এবং অন্যান্য ছাত্রদের সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
এ ঘটনায় কলেজে পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। মরদেহগুলো ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে।



