দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী মো. ইকবাল হোসেন বলেছেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে পাহাড় ধস ও বন্যাদুর্গতদের সর্বাত্মক সহায়তা দেওয়া হবে। এ ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সার্বক্ষণিক খোঁজখবর রাখছেন।

শনিবার (১১ জুলাই) রাতে রাঙামাটিতে পাহাড় ধসের ঝুঁকি মোকাবিলায় শহরের লোকনাথ মন্দিরে খোলা নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্র পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন।
এ সময় আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থানকারীদের মাঝে রাতের খাবার ও ত্রাণ বিতরণ করেন প্রতিমিন্ত্রী।
ইকবাল হোসেন বলেন, রাঙামাটিতে দুর্গত ও ক্ষতিগ্রস্ত লোকজনের সহায়তায় পর্যাপ্ত ত্রাণ বরাদ্দ দেওয়া আছে। পরবর্তীতে প্রয়োজন হলে আরও ত্রাণের ব্যবস্থা করা হবে। ক্ষতিগ্রস্ত লোকজনকে সাময়িকভাবে যতদিন প্রয়োজন ত্রাণ সহায়তা দেওয়া হবে। প্রয়োজনে সর্বোচ্চ তিন মাস ত্রাণের ব্যবস্থা করা হবে। পরবর্তীতে দুর্যোগে যাদের ঘরবাড়ি ক্ষতি হয়েছে, ফসলি জমি নষ্ট হয়েছে, গবাদিপশু মারা গেছে এবং সহায়-সম্বল হারিয়েছেন তাদেরকে পুনর্বাসনের কর্মসূচি নেওয়া হবে। গবাদিপশু ও ঢেউটিন বিতরণের ব্যবস্থা নেবে সরকার।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সুস্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে, যেকোনো উপায়ে দুর্গত মানুষের কাছে দ্রুত সহায়তা পৌঁছে দিতে। সারা দেশের বন্যাদুর্গত মানুষের পাশাপাশি পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে ক্ষতিগ্রস্ত ও দুর্গতদের সহায়তায় সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায়ে নজর রয়েছে। এ বিষয়ে দেখভালের জন্য বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রীকে চট্টগ্রাম বিভাগের দায়িত্ব দিয়েছে সরকার। তিনি প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেবেন।
উল্লেখ্য, প্রতিমন্ত্রী ইকবাল হোসেন খাগড়াছড়ি জেলা সদর পরিদর্শন শেষে শনিবার সন্ধ্যায় রাঙামাটি পৌঁছান। পরে রাত ৮টায় শহরের লোকনাথ মন্দির আশ্রয়কেন্দ্র পরিদর্শন এবং আশ্রিত লোকজনের মাঝে রাতের খাবার ও ত্রাণ বিতরণ করেন।
এ সময় সাবেক পার্বত্যমন্ত্রী ও রাঙামাটির সংসদ সদস্য দীপেন দেওয়ান, জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফী, পুলিশ সুপার মুহম্মদ আবদুর রকিব, জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি সাইফুল ইসলাম ভূট্টোসহ প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন।
ত্রাণ প্রতিমন্ত্রীর রোববার (১২ জুলাই) রাঙামাটি থেকে বান্দরবানের ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শনে যাওয়ার কথা রয়েছে।


