নতুন স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন হয়ে গেলেও পুরোনো স্পিকারের কিছু দায়িত্ব রয়েছে। তিনি নতুন একজন প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করবেন। একই সঙ্গে নতুন প্রধানমন্ত্রী হবেন জাতীয় পরিষদের নেতা। সাধারণত জাতীয় পরিষদের উদ্বোধনী অধিবেশন যেদিন বসে, তার পরদিন কিংবা এক দিন পর এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
পাকিস্তানের সংবিধানের ৯১(৩) ধারায় বলা আছে, নতুন স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্বাচনের পর জাতীয় পরিষদের সদস্যরা শপথ নেওয়া পার্লামেন্ট সদস্যদের মধ্য থেকে একজনকে প্রধানমন্ত্রী পদে নির্বাচন করবেন।
এর আগে জাতীয় পরিষদের সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী পদে সম্ভাব্য প্রার্থীরা তাঁদের মনোনয়নপত্র জমা দেবেন।
সংবিধান অনুযায়ী, পাকিস্তানের স্পিকার, ডেপুটি স্পিকার কিংবা বিরোধী দলের নেতা হতে ধর্মীয় কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। তবে দেশের প্রধানমন্ত্রী অবশ্যই একজন মুসলিম হবেন, এমনটাই বলা আছে পাকিস্তানের সংবিধানে।



