এরপর ২০ এপ্রিল শেভরনকে এক চিঠিতে পেট্রোবাংলা বলেছে, যেহেতু সব বকেয়া শোধ করা হয়েছে, শেভরন দ্রুত জালালাবাদে কাজ শুরু করবে বলে আশা করছে পেট্রোবাংলা।
৩০ বছর ব্যবসা করেও মাত্র কয়েক মাসের বিল বকেয়া থাকায় কেন জালালাবাদে বিনিয়োগ বন্ধ করা হলো? কবে তারা কাজ শুরু করবে, কবে শেষ হবে? এর জবাবে শেভরনের মিডিয়া অ্যান্ড কমিউনিকেশন ম্যানেজার শেখ জাহিদুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, সুনির্দিষ্ট ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা প্রকাশ করে না শেভরন। বাংলাদেশের জ্বালানি খাতে পারস্পরিক সুবিধা লাভের সুযোগ নিয়মিত মূল্যায়ন করে তারা। তবে দীর্ঘমেয়াদি নীতি অনুসারে, শেভরন বাংলাদেশে তার বাণিজ্যিক বিষয়গুলোর সুনির্দিষ্ট বিবরণ প্রকাশ করে না।
পেট্রোবাংলার দুজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা প্রথম আলোকে বলেন, গত ১৯ এপ্রিল পর্যন্ত চিঠির আনুষ্ঠানিক কোনো উত্তর দেয়নি শেভরন। তবে ১৫ মে শেভরন ও পেট্রোবাংলার যৌথ ব্যবস্থাপনা কমিটির বৈঠক ছিল। সেখানেও বিষয়টি তোলে পেট্রোবাংলা। জবাবে শেভরনের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, তাঁরা বিনিয়োগের প্রস্তাবটি প্রধান কার্যালয়ে পাঠিয়েছেন। সেখান থেকে অনুমোদন পেলে পরিকল্পনা জানাবেন।
পেট্রোবাংলার কর্মকর্তারা জানান, এপ্রিল-জুন সময়ের বাজেট অনুমোদন করেছে শেভরন। এতে জালালাবাদে বিনিয়োগের বিষয়টি নেই। তার মানে শিগগিরই কাজ শুরুর সম্ভাবনা নেই। কাজ শুরু করার পর এটি শেষ করতে দুই বছর সময় লাগতে পারে।



