নির্বাচনপ্রক্রিয়া চলাকালে ট্রাইব্যুনাল গঠিত হয়। এরপর বাতিল হওয়া ভোটারদের প্রায় ৩৪ লাখ আবেদন সেখানে জমা পড়ে। কিন্তু এই ট্রাইব্যুনালের বিচারপ্রক্রিয়ার গতি নিয়ে ইতিমধ্যেই নানা প্রশ্ন উঠেছে। এত বিশালসংখ্যক মানুষের আবেদন বিবেচনা করতে ঠিক কত দিন সময় লাগতে পারে, সে সম্পর্কে কারও কাছেই কোনো স্পষ্ট উত্তর নেই।
দীর্ঘদিন ধরেই অভিযোগ উঠছিল, সংখ্যালঘু–অধ্যুষিত এলাকাগুলোতেই বেছে বেছে ভোটারদের নাম বেশি কাটা হয়েছে। উপযুক্ত তথ্য–প্রমাণের অভাবে এ নিয়ে জোরালো বক্তব্য প্রকাশ্যে আসেনি। কিন্তু সবর ইনস্টিটিউটের এ প্রতিবেদন প্রমাণ করছে, নির্দিষ্টভাবে মুসলিমপ্রধান অঞ্চল থেকেই ভোটারদের নাম অন্তত এ নির্বাচনে ছেঁটে ফেলা হয়েছে।
কারণ হচ্ছে, মুসলিম ভোটারদের বড় অংশই তৃণমূল কংগ্রেসকে এত দিন ভোট দিয়েছে এসেছে। তাই ধরে নেওয়া যেতে পারে, এই ভোট না পাওয়ার কারণেই হেরেছে পশ্চিমবঙ্গের সাবেক ক্ষমতাসীন দল। এই ভোটাররা কবে ভোটার তালিকায় ফিরবেন এবং ভোট দিতে পারবেন, সে বিষয় এখনো অনিশ্চিত।


