মুন্সিগঞ্জের লৌহজংয়ে পদ্মা সেতুর ৪ নম্বর পিলারের কাছে গোসল করতে নেমে নিখোঁজ আরেক পর্যটকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
নিখোঁজের প্রায় ২৪ ঘণ্টা পর মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) মো. মারুফ হোসেনের (১৯) মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এরপর বুধবার (২৮ অক্টোবর) বেলা ১২টার দিকে উদ্ধার করা হয় মো. রাসেলের (৪০) মরদেহ। এর মধ্য দিয়ে তিনদিনব্যাপী উদ্ধার অভিযান সমাপ্ত হয়েছে।
ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সোমবার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে ঢাকার শরীফ ল্যান্ডমার্ক লিমিটেডের আটজন কর্মকর্তা-কর্মচারী পদ্মা সেতুর মাওয়া প্রান্তে ৪ নম্বর পিলারের কাছে গোসল করতে নদীতে নামেন। এ সময় ছয়জন সাঁতরে তীরে উঠতে সক্ষম হলেও মারুফ হোসেন ও রাসেল নিখোঁজ হন।
খবর পেয়ে মুন্সিগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করে। মঙ্গলবার সকাল থেকে দ্বিতীয় দিনের মতো অভিযান চালানোর পর বিকেল ৩টার দিকে নিখোঁজের প্রায় ২৪ ঘণ্টা পর মারুফ হোসেনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
বুধবার সকাল ৮টা থেকে তৃতীয় দিনের মতো উদ্ধার অভিযান শুরু হয়। পরে ১২টার দিকে লৌহজংয়ের ঘোড়দৌড় বাজার ঘাট এলাকায় পদ্মা নদীতে ভাসমান অবস্থায় রাসেলের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নৌপুলিশের সহায়তায় মরদেহটি উদ্ধার করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
নিহত মারুফ হোসেনের বাড়ি ঢাকার খিলগাঁও এলাকায়। রাসেলের বাড়ি পটুয়াখালী জেলায়।
মুন্সিগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপসহকারী পরিচালক মুহাম্মদ সফিকুল ইসলাম পিএফএম জানান, নিখোঁজ দুজনকে উদ্ধারে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের পাশাপাশি নৌ পুলিশ, কোস্টগার্ড, বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) ও স্থানীয় লোকজন সহযোগিতা করেন।



