নেসলে জানিয়েছে, চুরি যাওয়া এই চকলেটগুলো ইউরোপের বিভিন্ন দেশের অসাধু বাজার বা অনানুষ্ঠানিক উপায়ে বিক্রি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তবে প্রতিটি চকলেটে থাকা বিশেষ ‘ব্যাচ কোড’ ব্যবহার করে এগুলো শনাক্ত করা সম্ভব। নেসলের বিবৃতিতে রসিকতা করে বলা হয়েছে, ‘আমরা অপরাধীদের চমৎকার রুচির প্রশংসা করছি। তবে বাস্তবতা হলো, সব ধরনের ব্যবসার জন্যই কার্গো বা পণ্যবাহী যান চুরি হওয়া এখন একটি ক্রমবর্ধমান সমস্যা।’



