পরে রাত সোয়া একটার দিকে ওই নারী (মামি) তাঁর ভাগনির বাড়ির সামনে যান। তখন সেখান থেকে তিনজন পালিয়ে যান। পরে সোমবার ভোরে তাঁরা দুজন আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাড়িতে গিয়ে ঘটনাটি জানান। প্রথমে তাঁদের দেবীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সোমবার রাতে তাঁদের পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।
দেবীগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) প্রবীর কুমার সরকার মুঠোফোনে প্রথম আলোকে বলেন, ভুক্তভোগীরা পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। সেখানে তাঁদের স্বাস্থ্য পরীক্ষার প্রক্রিয়া চলছে। তাঁদের আদালতে হাজির করে জবানবন্দি গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে। এ ছাড়া অভিযুক্ত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত আছে।



