
কাঠমান্ডু, ২৭ আগস্ট – নেপাল এবং তিব্বত সীমান্তে ভয়াবহ প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের পর নতুন করে আরও একটি বিধ্বংসী বন্যার আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন বিশেষজ্ঞরা।
কাঠমান্ডুভিত্তিক গবেষণা সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর ইন্টিগ্রেটেড মাউন্টেন ডেভেলপমেন্টের জলবায়ু ও পরিবেশগত ঝুঁকি বিভাগের প্রধান চিয়াংগং ঝাং এই সতর্কবার্তা দিয়েছেন। তিনি জানান, নেপাল এবং চীন সীমান্তের একটি নদীর উজানে এখনো বিপুল পরিমাণ ধ্বংসাবশেষ জমে রয়েছে। এই প্রতিবন্ধকতা ভেঙে গেলে আবারও বড় ধরনের বন্যার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।
বিশ্বজুড়ে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে দ্রুত হিমবাহ গলে যাওয়ার ফলে পাহাড়ি হ্রদগুলোতে পানির চাপ বাড়ছে এবং হিমবাহ ধসের ঝুঁকি প্রবল হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার নেপাল পুলিশ জানিয়েছে, সাম্প্রতিক এই দুর্যোগে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩৫৯ জনে দাঁড়িয়েছে। তিব্বত অংশে আরও তিনজনের মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করেছে চীনা গণমাধ্যম। সব মিলিয়ে দুই দেশে মৃতের সংখ্যা ৩৬২ ছাড়িয়েছে।
দুর্যোগ কবলিত এলাকায় এখনো প্রায় এক হাজার মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন যাদের মধ্যে নেপালি ছাড়াও উল্লেখযোগ্য সংখ্যক বিদেশি পর্যটক এবং চীনা শ্রমিকরা রয়েছেন। উদ্ধার অভিযান অব্যাহত থাকলেও পাহাড়ের প্রতিকূল পরিবেশ ও ধ্বংসস্তূপের কারণে কাজে বেগ পেতে হচ্ছে।
এনএন/ ২৭ আগস্ট ২০২৬


