সম্প্রতি স্মৃতিসৌধটি সরেজমিনে দেখা হয়। সেখানে পৌঁছাতেই হ্রদের ঢেউয়ের শব্দের সঙ্গে শোনা যায় দূরে পাখির ডাক। স্মৃতিসৌধ দেখতে হাজির হয়েছেন অনেক পর্যটক। তাঁদের কেউ সমাধির পাশে বসে রয়েছেন, আবার কেউ ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানাচ্ছেন। সমাধিফলকের খোদাই করা ‘তুমি দুর্জয়, নির্ভীক মৃত্যুহীন এক প্রাণ’ লেখাটিই যেন একবাক্যে এই বীরশ্রেষ্ঠর জীবনের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস তুলে ধরেছে।
খাগড়াছড়ি থেকে দল বেঁধে আসা দর্শনার্থীদের একজন ছিলেন জেলা পরিষদের নির্বাহী কর্মকর্তা আবদুল্লাহ আল মাহাফুজ। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, ‘মহান শহীদের সমাধি দেখা, সম্মান জানানো আর মুক্তিযুদ্ধের চেতনা অনুভবের জন্যই এখানে এসেছি। প্রকৃতির সৌন্দর্যের সঙ্গে স্মৃতিসৌধ মিলিয়ে জায়গাটি সত্যিই অসাধারণ।’
স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, স্বাধীনতা দিবস, বিজয় দিবস বা শহীদ দিবসের মতো জাতীয় দিবসে হাজারো দর্শনার্থী ভিড় করেন এখানে। এর বাইরেও প্রকৃতি ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের টানে অনেকে আসছেন। স্মৃতিসৌধের কেয়ারটেকার বিনয় কুমার চাকমা প্রথম আলোকে বলেন, ‘প্রতিদিনই দলে দলে নৌকায় পর্যটক এখানে আসেন। ছুটির দিনে ভিড় আরও বেশি হয়। তবে বর্ষায় দর্শনার্থীদের কষ্ট হয়। কারণ, কোনো ছাউনি দেওয়া ঘর এখানে নেই।’



