নির্বাচন ও গণভোটে নিরাপত্তায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তৎপর, সেনাবাহিনীও ভোটকেন্দ্রে – DesheBideshe

নির্বাচন ও গণভোটে নিরাপত্তায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তৎপর, সেনাবাহিনীও ভোটকেন্দ্রে – DesheBideshe

নির্বাচন ও গণভোটে নিরাপত্তায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তৎপর, সেনাবাহিনীও ভোটকেন্দ্রে – DesheBideshe

ঢাকা, ৯ ফেব্রুয়ারি – ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট সামনে রেখে দেশের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আরও সক্রিয় হয়ে উঠেছে। ভোটগ্রহণ হবে ১২ ফেব্রুয়ারি, একই দিন জাতীয় সংসদের সংবিধান সংশোধনের ওপর গণভোটও অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচন কমিশন শুরু থেকেই নির্বাচনের সময় নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখাকে প্রধান চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছে।

নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় মোট প্রায় ৯ লাখ সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। এর মধ্যে সেনাবাহিনী ‘ইন-এইড-টু-দ্য-সিভিল পাওয়ার’ হিসেবে আগে থেকেই দেশে মোতায়েন আছে। এখন তারা আনুষ্ঠানিকভাবে ভোটকেন্দ্রের দায়িত্বও শুরু করেছে। এছাড়া বিজিবির ৩৭ হাজারের বেশি, কোস্টগার্ডের ৩,৫০০-এর বেশি, পুলিশের প্রায় ১ লাখ ৫৭ হাজার, আনসারের ৫ লাখ ৬৭ হাজার এবং র‍্যাবের সদস্যরাও দায়িত্বে থাকবেন।

ভোটকেন্দ্রে বা বাইরে কোনো অভিযোগ বা সহিংসতা হলে নির্বাচনী সুরক্ষা অ্যাপের মাধ্যমে তা ধরা যাবে এবং দ্রুত হস্তক্ষেপ করা যাবে। বডি-ওর্ন ক্যামেরাও থাকবে। এবার আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সংজ্ঞায় তিন বাহিনীকে ভোটকেন্দ্রেও দায়িত্ব দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়েছে। ফলে সেনাবাহিনীর সদস্যরা সরাসরি ভোটকেন্দ্রেও দায়িত্ব পালন করতে পারবেন। পাশাপাশি সেনাবাহিনীর ম্যাজিস্ট্রেটি ক্ষমতা ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত থাকবে।

আগে জানুয়ারিতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছিল, সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা জেলা, উপজেলা, মেট্রোপলিটন এলাকার নোডাল পয়েন্ট ও অন্যান্য সুবিধাজনক স্থানে থাকবে। প্রয়োজনমতো রিটার্নিং কর্মকর্তার সঙ্গে সমন্বয় করে টহল ও অভিযান পরিচালনা করবে। প্রয়োজন হলে নির্দিষ্ট কেন্দ্র স্ট্যাটিকভাবে বা দ্বিতীয় পর্যায়ে মোবাইল টহলের আওতায় রাখা হবে। উপকূলীয় এলাকায় নৌবাহিনী দায়িত্ব পালন করবে এবং কোস্টগার্ডের সঙ্গে সমন্বয় করবে।

গতকাল রংপুরে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক বৈঠক শেষে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী সাংবাদিকদের জানান, ভোট কারচুপির কোনো আশঙ্কা নেই। নির্বাচনের পরিবেশ শান্তিপূর্ণ, সুষ্ঠু এবং উৎসবমুখর হবে। বর্তমানে পরিস্থিতি অনুযায়ী প্রত্যেক জায়গায় যথাযথ প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, এবার দেশের মোট ১৬,৩৫৯টি ভোটকেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ। ঝুঁকি নেই এমন সাধারণ ভোটকেন্দ্র ১৭,৬৫৬টি। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নিয়ম অনুযায়ী, সাধারণ কেন্দ্রে ১৬ জন এবং ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে ১৭ থেকে ১৮ জন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী থাকবে। মহানগরের সাধারণ কেন্দ্রে ১৬ জন, ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে ১৭ জন মোতায়েন থাকবেন। দুর্গম ঘোষিত ২৫ জেলার নির্দিষ্ট কেন্দ্রে ১৬-১৮ জন করে দায়িত্ব পালন করবে। এই সদস্যরা ভোট গ্রহণের দু’দিন আগে থেকে ভোটের দিন পর্যন্ত দায়িত্বে থাকবেন।

এনএন/ ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬



Scroll to Top