তবে দীর্ঘদিন যুক্তরাজ্যে বসবাসের পর দেশে ফিরে তারেক রহমান তাঁর নির্বাচনী প্রচারে যেভাবে স্ত্রী ও কন্যাকে গুরুত্ব দিয়েছেন, তা সমাজে একটি নতুন বার্তা দিয়েছে। চিকিৎসক স্ত্রী জুবাইদা রহমানের পরামর্শ তিনি গুরুত্বের সঙ্গে নেন, এমন ইঙ্গিত বিভিন্ন বক্তব্যে পাওয়া গেছে। তাঁদের একমাত্র সন্তান ব্যারিস্টার জাইমা রহমানও বাবার ওপর প্রভাব রাখেন, সেটিও অনুমেয়।
আশা জাগে, নতুন প্রধানমন্ত্রী শুধু একজন পুরুষের দৃষ্টিকোণ থেকে নয়, স্ত্রী ও কন্যার চোখ দিয়েও সমাজকে দেখবেন। তবেই হয়তো তাঁর কাছে স্পষ্ট হবে নারীর পথচলার অদৃশ্য প্রতিবন্ধকতার বেড়াজাল। আজকের দিনে মেয়েরা নিজেরাই জানেন তাঁরা কী চান। সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার, কাজ, দায়িত্ব, পরিবার—সবই তাঁরা সামলাতে পারেন। এর উদাহরণ প্রধানমন্ত্রীর নিজের মা-ও রেখে গেছেন। সেই প্রতিফলন আমরা দেখতে চাই নতুন মন্ত্রিসভা ও সংসদে।
নতুন প্রধানমন্ত্রীকে বলতে চাই, আপনার একটি কন্যাসন্তান আছে, যিনি তরুণ প্রজন্মের প্রতিনিধিও। তাঁর চোখে দেখুন দেশের নারী ও তরুণ নাগরিকদের। তাঁদের ভাষা বুঝুন, তাঁদের প্রত্যাশাকে গুরুত্ব দিন। তাহলেই হয়তো নতুন অধ্যায়ে সত্যিকারের অন্তর্ভুক্তির সূচনা হবে।
*মতামত লেখকের নিজস্ব



