
ছবিটিতে আরও অভিনয় করেছেন সঞ্জয় দত্ত, আর. মাধবন ও রাকেশ বেদী। তবে বাণিজ্যিক সাফল্যের পাশাপাশি ছবিটি নিয়ে বিতর্কও কম হয়নি। দর্শকদের একাংশ একে ‘প্রোপাগান্ডা’ বলে আখ্যা দিয়েছেন।
এই পরিস্থিতিতে মুখ খুলেছেন বর্ষীয়ান অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তী। আইএএনএস-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি তার নিজস্ব ছবি ‘দ্য বেঙ্গল ফাইলস’ প্রসঙ্গ তুলে অসন্তোষ প্রকাশ করেন।
মিঠুন বলেন, তার ছবি মুক্তির অনুমতি না পেলে ‘ধুরন্ধর ২’-এর মুক্তিও হওয়া উচিত ছিল না। তার ভাষায়, আমার ‘দ্য বেঙ্গল ফাইলস’ যদি মুক্তি না পায়, তাহলে ‘ধুরন্ধর ২’-কেও মুক্তি দেওয়া ঠিক হয়নি। এখন ছবিটিকে প্রোপাগান্ডা বলা হচ্ছে, অথচ আমার ছবিটিই মুক্তির সুযোগ পায়নি।
তিনি আরও জানান, তার ছবিটি নোয়াখালি দাঙ্গার মতো একটি ঐতিহাসিক ঘটনাকে কেন্দ্র করে নির্মিত হলেও সেটি আটকে দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে বিতর্ক থাকা সত্ত্বেও ‘ধুরন্ধর ২’ প্রেক্ষাগৃহে চলছে।
তবে সমালোচনার পাশাপাশি ছবিটির সাফল্যও স্বীকার করেছেন মিঠুন। তার মতে, সব বিতর্কের পরও ‘ধুরন্ধর ২’ রেকর্ড ভেঙেছে। বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষ সিনেমাটি দেখেছে বলেই এটি সফল হয়েছে।
এর আগে অনুপম খের ও রাম গোপাল বর্মা-ও ‘ধুরন্ধর ২’-কে প্রোপাগান্ডা বলা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন।
পোস্ট ‘ধুরন্ধর ২’ নিয়ে সরব মিঠুন, তুলনা নিজের ছবির সঙ্গে প্রথম হাজির বাংলা খবর.


