ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন ও গণভোট: কঠোর নিরাপত্তায় প্রস্তুত ইসি, মাঠে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী – DesheBideshe

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন ও গণভোট: কঠোর নিরাপত্তায় প্রস্তুত ইসি, মাঠে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী – DesheBideshe

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন ও গণভোট: কঠোর নিরাপত্তায় প্রস্তুত ইসি, মাঠে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী – DesheBideshe

ঢাকা, ১০ ফেব্রুয়ারি – ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে সমগ্র দেশে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলা হয়েছে। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বর্তমানে সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং ভোটারদের জন্য একটি নিরাপদ ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করা হয়েছে।

কমিশনের পক্ষ থেকে নির্বাচনের সব প্রস্তুতি চূড়ান্ত করা হয়েছে। ব্যালট পেপারসহ যাবতীয় নির্বাচনী সরঞ্জাম বুধবারের মধ্যেই বিভিন্ন কেন্দ্রে পৌঁছে দেওয়া হবে। নির্বাচন পরিচালনা এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাবদ এবারের নির্বাচনে প্রায় ৩ হাজার কোটি টাকা ব্যয় ধরা হয়েছে।

সেনাবাহিনী এতদিন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের পাশাপাশি রুটিন দায়িত্ব পালন করে আসছিল। তারা এখন নির্বাচনকালীন দায়িত্বে থাকবেন। প্রায় এক সপ্তাহ ধরে কয়েক লাখ সেনাসদস্য ভোটের নিরাপত্তায় নিয়োজিত থাকবেন।

নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ জানিয়েছেন, নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরাপদ করতে সব ব্যবস্থা সম্পন্ন করা হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, তফসিল ঘোষণার পর থেকে প্রচারপর্ব শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হয়েছে এবং কোনো বড় ধরনের সংঘাত ঘটেনি।

নির্বাচন কমিশনের তথ্যমতে, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টায় গণভোট ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে একটানা বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত চলবে। ভোটাররা দুটি ব্যালটে ভোট দেবেন, যার মধ্যে সংসদের ব্যালট সাদাকালো এবং গণভোটের ব্যালট গোলাপি রঙের হবে। ভোটের ফলাফল ১৩ ফেব্রুয়ারি সকালের মধ্যে প্রকাশ করা সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন নির্বাচন কমিশনার।

এবার সারাদেশে মোট ভোটার সংখ্যা ১২ কোটি ৭৭ লাখ ১১ হাজার ৮৯৯ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৬ কোটি ৪৮ লাখ ২৫ হাজার ১৫৪ জন এবং নারী ভোটার ৬ কোটি ২৮ লাখ ৮৫ হাজার ৫২৫ জন। হিজড়া ভোটার রয়েছেন ১ হাজার ২২০ জন। সারাদেশে ৪২ হাজার ৭৭৯টি ভোটকেন্দ্রে ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৮২টি কক্ষে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

নিরাপত্তার দায়িত্বে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ৯ লাখের বেশি সদস্য এবং নির্বাচনী পরিচালনায় প্রায় ৮ লাখ কর্মকর্তা নিয়োজিত থাকবেন।

গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ অনুযায়ী, ভোটগ্রহণের আগের ৪৮ ঘণ্টা এবং পরের ৪৮ ঘণ্টা অর্থাৎ ১০ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি বিকাল পর্যন্ত নির্বাচনী এলাকায় সব ধরনের জনসভা ও মিছিল নিষিদ্ধ থাকবে।

এনএন/ ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬



Scroll to Top