তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচের গোল গোল্ডেন বুটে প্রভাব রাখে? | চ্যানেল আই অনলাইন

তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচের গোল গোল্ডেন বুটে প্রভাব রাখে? | চ্যানেল আই অনলাইন

বিশ্বকাপ শুরু হওয়ার পর থেকে একটি বাদে প্রতিটি আসরে তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ হয়ে আসছে। এবারও ব্যতিক্রম হবে না। দুই সেমিফাইনালে হারা ফ্রান্স ও ইংল্যান্ড মুখোমুখি হবে তৃতীয় হতে। ম্যাচটির দলীয় ও ব্যক্তিগত গুরুত্ব আছে। তৃতীয় হওয়া দলের প্রাইজমানি বাড়বে, আর এ ম্যাচের গোলসংখ্যা গোল্ডেন বুট নির্ধারণীতে যোগ হবে।

বিশ্বকাপে তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচের প্রচলন শুরু হয়েছে দ্বিতীয় আসর অর্থাৎ, ১৯৩৪ সাল থেকে। এপর্যন্ত হওয়া আসরগুলোর মধ্যে মাত্র একবার এটি হয়নি। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ১৯৪২ ও ১৯৪৬ সালে বিশ্বকাপই হয়নি এবং ১৯৫০ সালে যখন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষ হওয়ার পর রাউন্ড রবিন লিগ পদ্ধতিতে হয়েছিল সেটিতে স্থান নির্ধারণী খেলা হয়নি। ১৯৫৪ সাল থেকে আবারও এটি শুরু চলে এসেছে।

যেহেতু ম্যাচে করা গোলগুলো একজন খেলোয়াড়ের মোট গোলসংখ্যার অংশ হিসেবে গণ্য হবে। তাই ফ্রান্স ও ইংল্যান্ড সেমিফাইনালে বিদায় নিলেও কাইলিয়ান এমবাপে, উসমান ডেম্বেলে, হ্যারি কেন এবং জুড বেলিংহ্যামরা এ ম্যাচের মাধ্যমে এখনও ২০২৬ আসরে ‘গোল্ডেন বুট’ জেতার সুযোগ পাবেন।

গোলদাতার তালিকায় এমবাপে ও মেসি যৌথভাবে শীর্ষে রয়েছেন। উভয়ই ৮টি করে গোল করেছেন। তবে এমবাপের চেয়ে একটি অ্যাসিস্ট বেশি থাকায় মেসি এই লড়াইয়ে এগিয়ে আছেন।

তালিকায় ৭টি গোল নিয়ে তিনে আছেন নরওয়ের আর্লিং হালান্ড। তবে কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে তার দল বিদায় নেয়ায় তার গোলসংখ্যা বাড়ার সম্ভাবনা নেই। ইংল্যান্ডের বেলিংহ্যাম ও কেন উভয়েই ৬টি করে গোল করেছেন। অন্যদিকে ফ্রান্সের উইঙ্গার ডেম্বেলে ও স্পেনের স্ট্রাইকার মিকেল ওয়েরজাবাল ৫টি করে গোল করে এ দৌড়ে আছেন।

Scroll to Top