কেন্টের পদত্যাগপত্র রিপাবলিকানদের মধ্যে বিভক্তি তৈরি করেছে। কেউ কেউ তাঁর পদত্যাগকে নৈতিক অবস্থান বিবেচনা করে সমর্থন করেছেন। আবার কেউ কেউ প্রেসিডেন্টের প্রতি তাঁর আনুগত্য বজায় না রাখার বিষয়ে নিন্দা জানিয়েছেন।
ট্রাম্প নিজেও কেন্টকে নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। গতকাল ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, ‘আমি সব সময় তাঁকে ভালো মানুষ হিসেবে বিবেচনা করেছি। কিন্তু সব সময় মনে হয়েছে, তিনি নিরাপত্তার বিষয়ে দুর্বল। এখন ভালো হলো, তিনি বের হয়ে গেছেন। কারণ, তিনি বলেছিলেন, ইরান কোনো হুমকি নয়।’
হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলাইন লেভিটও কেন্টের দাবিকে ‘অপমানজনক ও হাস্যকর’ উল্লেখে খারিজ করে দিয়েছেন।
কংগ্রেসের প্রতিনিধি পরিষদের স্পিকার মাইক জনসন মনে করেন, ইরানের হুমকি নিয়ে কেন্টের ধারণা ভুল। আরকানসর সিনেটর টম কটনও এমনটাই মনে করেন।
কটন এক বিবৃতিতে লিখেছেন, ‘কেন্ট ও তাঁর পরিবার আমাদের দেশের জন্য বিপুল ত্যাগ স্বীকার করেছে। আমি তাঁর সেবার জন্য তাঁকে ধন্যবাদ জানাই। তবে আমি তাঁর ভুল ধারণার সঙ্গে একমত নই।’
তবে জো কেন্টের সিদ্ধান্তের প্রশংসা করেছেন রক্ষণশীল ধারার গণমাধ্যম বিশ্লেষক টাকার কার্লসন।
নিউইয়র্ক টাইমসকে টাকার বলেন, ‘জো আমার দেখা সবচেয়ে সাহসী মানুষ। তাঁকে উন্মাদ হিসেবে উপেক্ষা করা যাবে না। তিনি এমন একটি পদ থেকে বের হচ্ছেন, যা তাঁকে সর্বোচ্চ স্তরের প্রাসঙ্গিক গোয়েন্দা তথ্য পাওয়ার সুযোগ করে দিয়েছে। নিও–কনজারভেটিভরা তাঁকে ধ্বংস করার চেষ্টা করবে।’


