উজবেকিস্তানে আতিকুরকে না নেওয়ার ব্যাপারে অনড় ছিলেন জোন্স। তবে বাফুফের মধ্যস্থতায় দুজন উজবেকিস্তান গেলেও আতিকুর ডাগআউটে থাকতে পারেননি প্রথম দুই ম্যাচে—যা কি না দলের ভেতরের অস্থিরতার আরেকটি উদাহরণ।
মাঠে দলের খেলাও ছিল ছন্নছাড়া। উজবেকিস্তান বিশ্বকাপে খেলা দেশ, তাদের যুবাদের কাছে ২-০ গোলে হার তবু সহনীয়। কিন্তু সিরিয়ার কাছে ৩-০ গোলে হার দলের রুগ্ণ অবস্থা তুলে ধরে প্রবলভাবে।
আগামী বছর চীনে হতে যাওয়া এশিয়ান অনূর্ধ্ব-২০ ফুটবলের চূড়ান্ত পর্বে ওঠার দৌড় থেকে ছিটকে যাওয়ার পর এখন বাংলাদেশের সামনে ৬ সেপ্টেম্বর ভারতের বিপক্ষে ম্যাচটা সম্মান রক্ষার।
সে ম্যাচে ভারপ্রাপ্ত কোচের দায়িত্ব পাওয়া আতিকুর রহমান তাসখন্দ থেকে মুঠোফোনে প্রথম আলোকে বলেন, ‘বাফুফে থেকে শেষ ম্যাচটার দায়িত্ব নিতে বলা হয়েছে আমাকে। এই টুর্নামেন্টের চূড়ান্ত পর্বে যাওয়ার সুযোগ বাংলাদেশের সামনে আর কার্যত নেই। তবু ছেলেদের যতটা সম্ভব অনুপ্রাণিত করার চেষ্টা করব। ভারত ম্যাচটা জিতে দেশে ফিরতে চাই।’