জবি ছাত্রদলের দুই গ্রুপে দফায় দফায় সংঘর্ষ: আহত ১২ | চ্যানেল আই অনলাইন

জবি ছাত্রদলের দুই গ্রুপে দফায় দফায় সংঘর্ষ: আহত ১২ | চ্যানেল আই অনলাইন

এই খবরটি পডকাস্টে শুনুনঃ

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) শাখা ছাত্রদলের দুই গ্রুপের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ১২ জন শিক্ষার্থী ও এক শিক্ষক আহত হয়েছেন।

মঙ্গলবার ১১ নভেম্বর, বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় গেট, কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণ ও ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের চেয়ারম্যানের কক্ষের সামনে সংঘর্ষের এসব ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষে জড়িত ছিলেন ছাত্রদলের আহ্বায়ক সদস্য কাজী জিয়া উদ্দিন বাসেতের অনুসারী গ্রুপ এবং সুমন সরদার গ্রুপের নেতাকর্মীরা।

আহতদের মধ্যে রয়েছেন মার্কেটিং বিভাগের সামিউদ্দিন সাজিদ, আল-আমিন, প্রত্যয়, ইব্রাহিম, জনি, জাহিদ, আশরাফুল; রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সাদী ও বাংলা বিভাগের ছাব্বীরসহ অনেকে। রাষ্ট্রবিজ্ঞানের শিক্ষক ড. নঈম সিদ্দিকীও সামান্য আহত হন।

ঘটনার সূত্রপাত হয় সোমবার সকালে এবং মঙ্গলবার দুপুরে দ্বিতীয় গেটের সামনে সাজিদ দাঁড়িয়ে থাকলে সাদী ও তাঁর সহযোগীরা গিয়ে তাঁর ওপর অতর্কিত হামলা চালান। সাজিদকে বাঁচাতে গেলে আল-আমিন, প্রত্যয়, ইব্রাহিম ও জাহিদও মারধরের শিকার হন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ঘটনাস্থলে উপস্থিত সিনিয়র নেতারা বাধা দিলেও হামলাকারীরা তাদের কথায় কর্ণপাত করেনি।

প্রথম দফার সংঘর্ষের পর শান্ত চত্বরে ফের দ্বিতীয় দফা হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। সেখানে চেয়ার ছুড়ে মারার সময় আল-আমিনের মুখে গুরুতর আঘাত লাগে। এরপর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল টিম, শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দিন এবং আহ্বায়ক মেহেদী হাসান হিমেল মধ্যস্থতায় এগিয়ে আসেন। পরিস্থিতি শান্ত করতে ড. রইছ উদ্দিনের কক্ষে সালিশ বসানো হয়। তবে সালিশ চলাকালেই তৃতীয় দফায় আবারও সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে।

বিবৃতিতে বলা হয়, আসসুন্নাহ হলের দুই শিক্ষার্থী বাসে করে আসার পথে নিজেদের মধ্যে মারামারিতে জড়িয়ে পড়ে। পরে তা দুই বিভাগের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে। ছাত্রদলের নেতারা কেবল ক্যাম্পাসে উপস্থিত থাকায় সমাধানের উদ্যোগে এগিয়ে যান।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. তাজাম্মুল হক বলেন, প্রাথমিকভাবে দুই বিভাগের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছিল। পরে তা বড় আকার ধারণ করে। ইতোমধ্যে তদন্ত কমিটি গঠন করা হচ্ছে, তদন্ত শেষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Scroll to Top