পেটে যাওয়া চুইংগাম কত দ্রুত শরীর থেকে বেরিয়ে আসে
যখন চুইংগাম পাকস্থলীতে প্রবেশ করে, তখন পাচনতন্ত্র এটিকে অন্য যেকোনো অপাচ্য পদার্থের মতোই বিবেচনা করে। চুইংগামের মূল ভিত্তিটি তৈরি হয় সিনথেটিক পলিমার ও রেজিন দিয়ে। এই জিনিসগুলো এতই শক্ত যে পাকস্থলীর শক্তিশালী অ্যাসিড বা হজমের এনজাইম তা ভেঙে ফেলতে পারে না।
চুইংগামের ভেতরের যে চিনি ও ফ্লেভার থাকে, সেটা কিন্তু হজম প্রক্রিয়াতেই গলে যায়। আর বাকি যে শক্ত গাম বা আঠালো অংশটি থাকে, সেটা অক্ষত অবস্থাতেই অন্ত্রের মধ্য দিয়ে চলতে থাকে। সাধারণত গিলে ফেলার ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই সেই চুইংগাম স্বাভাবিকভাবে মলের মাধ্যমে শরীর থেকে বেরিয়ে যায়।
এই দ্রুত প্রক্রিয়াটি পরিষ্কার প্রমাণ করে যে চুইংগাম গিলে ফেললে তা পাকস্থলীর ভেতরে আটকে থাকে না। তাই যাঁরা মাঝেমধ্যে দুর্ঘটনাবশত চুইংগাম গিলে ফেলেন, তাঁদের দীর্ঘদিন ধরে কোনো ক্ষতির চিন্তা করার কারণ নেই।
তবে শিশুরা বিশেষ করে এই ঝুঁকির মধ্যে থাকে। কারণ, তাদের পরিপাকতন্ত্র তুলনামূলকভাবে ছোট হয়। এ ছাড়া যাঁদের দীর্ঘস্থায়ী কোষ্ঠকাঠিন্য বা হজমের সমস্যা আছে, তাঁদেরও নিয়মিত চুইংগাম গিলে ফেলার প্রবণতা থাকলে সতর্ক থাকা উচিত।



