এরপর বিজ্ঞানীরা জানতে চাইলেন, মস্তিষ্কের সংকেত কীভাবে পাকস্থলীতে পৌঁছায়? তাঁদের ধারণা ছিল, এর পেছনে ভূমিকা রাখতে পারে ভেগাস নার্ভ। ভেগাস নার্ভ হলো এমন একটি স্নায়ু, যা মস্তিষ্ককে শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ, বিশেষ করে হৃদ্যন্ত্র, ফুসফুস ও পাকস্থলীর সঙ্গে যুক্ত রাখে।
এ ধারণা পরীক্ষা করতে গবেষকেরা কিছু ইঁদুরের ভেগাস নার্ভ কেটে দেন। দেখা গেল, যেসব ইঁদুরের ভেগাস নার্ভ ছিল না, সেগুলোর ক্ষেত্রে ঘুমের অভাব হলেও পাকস্থলী সেরোটোনিনের মাত্রা স্বাভাবিক ছিল এবং স্টেম কোষের সংখ্যাও কমেনি। এর মানে ভেগাস নার্ভের মাধ্যমেই ঘুমের ঘাটতির সংকেত পাকস্থলী পৌঁছাচ্ছিল।
গবেষণায় আরও দেখা গেছে, এই সংকেত পাঠাতে ভেগাস নার্ভ থেকে অ্যাসিটাইলকোলিন নামে একটি রাসায়নিক বের হয়, যা পাকস্থলীর কোষকে বেশি সেরোটোনিন ছাড়তে উদ্দীপিত করে।
সূত্র: লাইভ সায়েন্স


