লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, এশিয়ার শীর্ষস্থানীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো তাদের মোট বাজেটের ১০ থেকে ২৫ শতাংশ শুধু মৌলিক ও ফলিত গবেষণার জন্য ব্যয় করে। অথচ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণা খাতে বরাদ্দ খুবই নগণ্য থাকে। এবার গবেষণার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়কে সরাসরি বরাদ্দ না দিয়ে ইউজিসির কাছে অর্থ রাখা হয়েছে। এটি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বায়ত্তশাসনের ধারণার সম্পূর্ণ বিরোধী এবং স্বাধীন গবেষণায় হস্তক্ষেপের শামিল।
এতে আরও বলা হয়, বিশ্ববিদ্যালয় কোন বিষয়ে গবেষণা করবে এবং কোন খাতে কত বরাদ্দ দেবে, তা নির্ধারণ করার পুরো এখতিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের। তাই গবেষণা খাতের বরাদ্দ বিশ্ববিদ্যালয়ের এখতিয়ারেই রাখতে হবে, মঞ্জুরি কমিশনের কাছে নয়।



