সিনেমাটির গল্প বলার ধরন শুরু থেকেই খাপছাড়া। সিনেমাটি যে সাম্প্রতিক পটভূমিতে নির্মিত, সেটা ধরতেও সময় লাগে। কিন্তু তারপরই চোখে পড়ে একের পর এক অসংগতি। গ্রামীণ পটভূমিতে মায়ার পোশাক যেমন বেমানান, তেমনি বেমানান প্রেমের দৃশ্যগুলোও। কিন্তু মায়া ও আলী ঢাকায় আসার পরের দৃশ্যগুলো সিনেমাটিকে যেন ‘হিমঘরে’ পাঠিয়ে দেয়। অতিরঞ্জিত অভিনয়, দৃশ্যের অসংগতি তো ছিলই, এমনকি ইমন সাহার আবহসংগীতও ছিল বেমানান। ঢাকায় আসার পর হুট করে গল্প ৩৬০ ডিগ্রি ঘুরে যায়, হয়ে ওঠে আশি-নব্বইয়ের দশকের সেই ফর্মুলা বাণিজ্যিক সিনেমা! ইন্তেখাব দিনারকে এ সিনেমায় খল চরিত্রে দেখানো হলেও চরিত্রটির হুট করে বদলে যাওয়াটাও বেমানান লাগে। তাঁর এ বদল মায়াকে কেন প্রভাবিত করে না, সেটাও ঠিক পরিষ্কার নয়।


