খুলনায় একের পর এক হত্যাকাণ্ড, ১০ মাসে ৭১ খুন, পেছনের কারণ কী

খুলনায় একের পর এক হত্যাকাণ্ড, ১০ মাসে ৭১ খুন, পেছনের কারণ কী

 সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর খুলনার মিস্ত্রিপাড়া, বানরগাতি, আরামবাগ, নিরালা, পশ্চিম বানিয়াখামার, রূপসা বাগমারা ও সোনাডাঙ্গা এলাকায় পলাশের বাহিনী চাঁদাবাজিতে জড়িয়ে পড়ে। এ নিয়ে গ্রেনেড বাবুর সঙ্গে তাঁর দ্বন্দ্ব তৈরি হয়। অপরাধজগতের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দুই পক্ষে একাধিক খুনের ঘটনা ঘটে। ২০২৫ সালের ৩০ মার্চ যৌথ বাহিনীর হাতে খুলনার সোনাডাঙ্গা থেকে ১০ সহযোগী এবং অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার হন শেখ পলাশ। এর পর থেকে তিনি কারাগারে আছেন। তাঁর অনুসারীদের কেউ কেউ হত্যার শিকার হয়েছে। কারাগারে থাকায় তাঁর বাহিনীর অনেকে এখন নূর আজিম ও আশিক গ্রুপে মিশে গেছেন।

অন্যদিকে গ্রেনেড বাবুর নামে বিভিন্ন থানায় হত্যা, হত্যাচেষ্টা, মারধরসহ অন্তত ১৭টি মামলা রয়েছে। আরেক গ্রুপের প্রধান নূর আজিম ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে কারাগারে ছিলেন। গত আগস্টের শেষ সপ্তাহে জামিনে মুক্তি পাওয়ার পর খুলনায় কয়েকটি এলাকায় তাঁর বাহিনীর তৎপরতা বেড়েছে।

পুলিশ বলছে, নূর আজিম ও গ্রেনেড বাবু গ্রুপের সদস্যরা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে চাঁদা আদায় করছেন। এক গ্রুপ চাঁদাবাজি করে অন্য গ্রুপের নাম ব্যবহার করছে—এমন ঘটনার তথ্যও রয়েছে।

Scroll to Top