১. সামরিক আইন প্রত্যাহার করতে হবে; ২. জনগণের প্রতিনিধিদের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করতে হবে; ৩. গোলাগুলি বন্ধ করে সেনাবাহিনীকে ব্যারাকে ফিরিয়ে নিতে হবে; ৪. বাঙালি হত্যার কারণ অনুসন্ধানে বিচার বিভাগীয় তদন্ত করতে হবে।
এই শর্তগুলো পূরণের আগপর্যন্ত বঙ্গবন্ধু অসহযোগ আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেন এবং জনগণকে ‘ঘরে ঘরে দুর্গ’ তৈরি করে সম্ভাব্য সব উপায়ে শত্রুর মোকাবিলা করার প্রস্তুতি নেওয়ার আহ্বান জানান। ভাষণে তিনি উচ্চারণ করেন, ‘সাত কোটি মানুষকে দাবায়ে রাখতে পারবা না।…এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম আমাদের স্বাধীনতার সংগ্রাম।’ বলা যায়, এই ভাষণের মধ্য দিয়েই স্বাধীনতার চূড়ান্ত প্রস্তুতিপর্ব শুরু হয়।
তথ্যসূত্র:
১. একাত্তরের দিনপঞ্জি: মুক্তিযুদ্ধের দৈনিক ঘটনালিপি (সম্পাদক: সাজ্জাদ শরিফ); প্রথমা প্রকাশন, ২০২৪
২. একাত্তরের দিনগুলি: জাহানারা ইমাম; সন্ধানী প্রকাশনী, ২০০৫
৩. মুক্তিযুদ্ধ কেন অনিবার্য ছিল: ড. কামাল হোসেন; মাওলা ব্রাদার্স, ২০১৪



