ক্ষমতায় বিএনপি, চাপে সংগঠন

পুনর্গঠনের তাগিদ

সাংগঠনিক স্থবিরতা কাটাতে কেন্দ্র থেকে জেলা-উপজেলা পর্যন্ত কমিটি পুনর্গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটি ভেঙে নতুন কমিটি করা, নিষ্ক্রিয়দের সরিয়ে সক্রিয়দের সামনে আনা এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলোর নেতৃত্বে পরিবর্তনের পরিকল্পনা রয়েছে।

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের কেউ কেউ বলছেন, দলের গুরুত্বপূর্ণ নেতাদের বড় অংশ সরকার ও সংসদে ব্যস্ত হয়ে পড়ায় দ্বিতীয় ও তৃতীয় সারির নেতাদের সামনে আনার প্রয়োজন তৈরি হয়েছে। তবে পুনর্গঠনও নতুন বিরোধের কারণ হতে পারে। কমিটি গঠনে স্থানীয় সংসদ সদস্যদের প্রভাব, আন্দোলনে সক্রিয়দের মূল্যায়ন এবং নতুন-পুরোনো নেতৃত্বের ভারসাম্য—এসব প্রশ্নের সমাধান করতে হবে দলটিকে।

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, বিরোধী দলে থাকার সময়কার কাঠামো ও কৌশল দিয়ে ক্ষমতাসীন দলের প্রত্যাশা পূরণ সম্ভব নয়। তাই নিষ্ক্রিয় কমিটি সচল করা, বিভিন্ন স্তরে পুনর্গঠন এবং নতুন নেতৃত্ব সামনে আনার প্রয়োজন দেখা দিয়েছে।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী প্রথম আলোকে বলেন, বিগত ৪৮ বছরে বিএনপির গৌরবদীপ্ত অতীত ও অর্জন হচ্ছে দেশের স্বাধীনতা রক্ষা, সার্বভৌমত্ব শক্তিশালী করা এবং বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান দলটি প্রতিষ্ঠা করে জাতিকে আত্মনির্ভরশীল করে আরও উন্নয়নের বিভিন্ন পদক্ষেপ নেন। অনেক ত্যাগ ও সংগ্রামের মধ্য দিয়ে বেগম খালেদা জিয়া সেটি এগিয়ে নেন। এখন তাঁদের সন্তান তারেক রহমান দল ও সরকারপ্রধান হয়ে দেশ গঠনে ভূমিকা রাখছেন।

Scroll to Top