টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপে একটা পর্যায়ে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণে থেকেও দিশা হারিয়েছিল পাকিস্তান। তখন জয়ের স্বপ্ন দেখছিল নেদারল্যান্ডস। কিন্তু ১৮.২ ওভারে ফন বিকের বলে ফাহিমের ক্যাচ উঠলেও সেটা নিতে পারেননি ম্যাক্স ও’ডাউড। পরে সেই ফাহিম আশরাফই ৩ বল হাতে রেখে জয় নিশ্চিত করেছেন। ডাচদের বিপক্ষে এই ম্যাচটি হারলে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায়ের শঙ্কা জেঁকে বসত পাকিস্তানের ঘাড়ে। কারণ গ্রুপ পর্বে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচটি আগেই বর্জন করেছে তারা।
কলম্বোতে শনিবার বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচে টসে জিতে নেদারল্যান্ডসকে আগে ব্যাটিংয়ে পাঠান পাকিস্তানের অধিনায়ক সালমান আলী আঘা। ব্যাটে নেমে সবগুলো উইকেট হারিয়ে ১৯.৫ ওভারে ১৪৭ রান করে স্কট এডওয়ার্ডসের দল। জবাবে ১৯.৩ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে জয়ের বন্দরে নোঙর করে পাকিস্তান।
লক্ষ্যে নেমে পাকিস্তানের স্কোর এক পর্যায়ে ছিল ২ উইকেটে ৯৮। সেখান থেকে ১১৫ রানে হারায় ৭ উইকেট। শেষটা হয়ে দাঁড়ায় রোমাঞ্চকর। ম্যাচটা ডাচদের দিকে ঝুঁকেও পড়েছিল। ১৮ ওভার শেষে সমীকরণ ছিল ১২ বলে ২৯ রান। ১৮.১ ওভারে ছক্কা মেরে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেয়ার বার্তা দেন ফাহিম। কিন্তু পরের বলেই তাকে আউটের সুযোগ তৈরি হয়। কিন্তু ক্যাচ মিস করায় পরে ম্যাচটাও মিস হয়েছে নেদারল্যান্ডসের।
ফাহিম ওই ওভারে দুটি ছক্কা ও একটি চার মেরে ম্যাচটা নিজেদের হাতের মুঠোয় নিয়ে আসেন। পরে ১৯.৩ ওভারে ৪ মেরে নিশ্চিত করেন ৩ উইকেটের জয়। জয়ের নায়ক ফাহিম ১১ বলে ২ চার ও ৩ ছক্কায় ২৯ রানে অপরাজিত থাকেন। শাহীন অপরাজিত থাকেন ৫ রানে।
ডাচদের দুটি করে উইকেট নেন পল ভ্যান মিকেরেন ও আইরিয়ান দত্ত। এছাড়া একটি করে উইকেট শিকার করেন লোগান ভ্যান বেক, কাইল ক্লেইন ও রোয়েলফ ভ্যান ডের মেরওয়ে।
এর আগে শুরুতে ব্যাটে নেমে পাকিস্তানের স্পিনারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে ১৪৭ রানে গুটিয়ে যায় নেদারল্যান্ডস। সর্বোচ্চ ৩৭ রান আসে অধিনায়ক স্কট অ্যাডওয়ার্ডসের ব্যাট থেকে। তাছাড়া বাস ডি লিড ৩০ ও মাইকেল লেভিট ২৪ রান করেছন।
পাকিস্তানের হয়ে ২৪ রানে ৩ উইকেট নেন সালমান মির্জা। ২টি করে নেন আবরার আহমেদ ও সাইম আইয়ুব।


