কেন্দ্রের আরেক ইমাম সাদ এলদেগেউই বলেন, এটি শুধু মুসলিমদের জনপরিসর নয়। এই কেন্দ্র পুরো সমাজের জন্য কাজ করে।
ইমাম সাদ বলেন, ‘আমরা ভালোবাসা ছড়াতে এসেছি। বিদ্বেষের বিরুদ্ধে আমরা আইনি ও শান্তিপূর্ণ উপায়ে লড়াই চালিয়ে যাব।’
হামলার দুই দিন পর মসজিদটি নামাজের জন্য আবার খুলে দেওয়া হয়েছে। তবে স্কুল ও কেন্দ্রের অন্যান্য অংশ আপাতত বন্ধ রাখা হয়েছে।
কেন্দ্রের গেটের সামনে এখন একটি অস্থায়ী স্মৃতিস্তম্ভ তৈরি করা হয়েছে। সেখানে ফুল, মোমবাতি আর হাতে লেখা বার্তা রেখে যাচ্ছেন শোকসন্তপ্ত মানুষ।
এদিকে নাওয়াল ও ওমর আল-নুরি এখনো মানসিক ধাক্কা কাটিয়ে উঠতে পারেননি। হামলার পাঁচ ঘণ্টা পর তাঁরা তাঁদের মেয়ে মায়ার সঙ্গে দেখা করেন।
মায়া ও তার সহপাঠীরা আগে থেকে শেখানো নিরাপত্তা নির্দেশনা মেনে ক্লাসরুমে লুকিয়ে ছিল। পরে পুলিশ তাদের নিরাপদে বের করে আনে।
স্কুলের এক শিক্ষিকার বরাতে নাওয়াল বলেন, শিশুরা খুব সাহসী ছিল। কিন্তু আমি শুধু শিক্ষকদের কথা ভাবছিলাম, তাঁরা কতটা ভয় পেয়েছিলেন।
ওমর বলেন, আমি আমার মেয়েকে নিয়ে গর্বিত। কিন্তু এখন আমার সবচেয়ে বড় ভয়, সে স্কুল বা মসজিদে যেতে যেন আবার ভয় না পায়।



