জেলা কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা যায়, সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে মিঠামইন উপজেলায়, প্রায় আড়াই হাজার হেক্টর জমির বোরো ধান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ ছাড়া ইটনায় ৯৮৬ হেক্টর, অষ্টগ্রামে ১৪০ হেক্টর, নিকলীতে ১০০ হেক্টর, পাকুন্দিয়ায় ১২০ হেক্টর, হোসেনপুরে ১০ হেক্টর, কুলিয়ারচরে ৬ হেক্টর এবং ভৈরবে ২ হেক্টর জমির ধান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
মিঠামইনের ঢাকি এলাকার ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক ইব্রাহিম মিয়া, নাইমুল ইসলামসহ কয়েকজন কৃষক জানান, হাওরে শিলাবৃষ্টিতে শত শত কৃষকের অনেক জমির কাঁচা-পাকা ধান মাটির সঙ্গে মিশে গেছে। শিলার আঘাতে ধানগাছ থেঁতলে গেছে। কোথাও কোথাও বোরো ধানের ছড়া ভেঙে গেছে এবং গাছ হেলে পড়েছে, যা অকাল ধান কাটার বাধ্যবাধকতা তৈরি করেছে। এ ছাড়া হাওরাঞ্চলের অনেক এলাকায় টিনের চাল শিলাবৃষ্টিতে ছিদ্র হয়ে যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে।


