পরিকল্পনা অনুযায়ী ডেটিং অ্যাপে দুশ্যন্তের সঙ্গে বন্ধুত্ব গড়ে তোলেন প্রিয়া। এরপর তাঁকে বাজাজ নগরের একটি ফ্ল্যাটে ডেকে নেন এবং তাঁর বাবার কাছ থেকে ১০ লাখ রুপি মুক্তিপণ দাবি করেন।
দুশ্যন্তের বাবা তিন লাখ রুপি পাঠাতে পেরেছিলেন। তবে একপর্যায়ে প্রিয়া এবং তাঁর প্রেমিক দীক্ষান্তের মনে হলো, তাঁরা দুশ্যন্তকে ছেড়ে দিলে তিনি তাঁদের পুলিশে ধরিয়ে দিতে পারেন।
গ্রেপ্তার এড়াতে প্রিয়া শেঠ, কামরা ও তাঁর বন্ধু লক্ষ্য ওয়ালিয়া মিলে দুশ্যন্তকে হত্যা করেন। তাঁরা মরদেহ স্যুটকেসে ভরে একটি পাহাড়ে ফেলে দিয়েছিলেন। দুশ্যন্তকে যেন না চেনা যায়, তা নিশ্চিত করতে তাঁরা তাঁর মুখ ছুরি দিয়ে ক্ষতবিক্ষত করে দিয়েছিলেন। প্রমাণ ধ্বংসের জন্য ফ্ল্যাটটিও পরিষ্কার করেছিলেন তাঁরা।
পরদিন ৩ মে রাতে পাহাড় থেকে দুশ্যন্তের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। শেষ পর্যন্ত প্রিয়া, দীক্ষান্ত ও ওয়ালিয়া ফ্ল্যাট থেকে গ্রেপ্তার হন।