কক্সবাজারে পাঁচ দিনের ছুটিতে পর্যটকের ঢল, হোটেলের ৯০ শতাংশ কক্ষ বুকিং – DesheBideshe

কক্সবাজারে পাঁচ দিনের ছুটিতে পর্যটকের ঢল, হোটেলের ৯০ শতাংশ কক্ষ বুকিং – DesheBideshe
কক্সবাজারে পাঁচ দিনের ছুটিতে পর্যটকের ঢল, হোটেলের ৯০ শতাংশ কক্ষ বুকিং – DesheBideshe
পর্যটকের ঢল

কক্সবাজার, ১১ অক্টোবর-শারদীয় দুর্গাপূজা ও টানা পাঁচ দিনের ছুটিকে ঘিরে কক্সবাজারে বিপুলসংখ্যক পর্যটক আসবেন বলে আশা করছেন পর্যটনসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। এরই মধ্যে শহরের হোটেল-মোটেল, রিসোর্ট ও গেস্ট হাউসের ৮০ থেকে ৯০ শতাংশ কক্ষ বুকিং হয়ে গেছে। পর্যটকদের বাড়তি চাপ সামলাতে প্রস্তুতি নিচ্ছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ২০ ও ২১ অক্টোবরের ছুটির সঙ্গে ২২ অক্টোবর সাধারণ ছুটি ঘোষণা এবং সাপ্তাহিক ছুটি মিলিয়ে কর্মজীবীরা টানা পাঁচ দিনের অবকাশ পেয়েছেন। এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে অনেকেই আগাম কক্ষ বুকিং করে কক্সবাজার ভ্রমণের পরিকল্পনা করেছেন।

কক্সবাজার হোটেল-মোটেল ও গেস্ট হাউস মালিক সমিতির সভাপতি আবুল কাশেম সিকদার বলেন, এবারের ছুটিতে হোটেলগুলোতে ভালো বুকিং পাওয়া যাচ্ছে। তারকা ও মাঝারি মানের হোটেল-মোটেলের ৯০ থেকে ৯৫ শতাংশ কক্ষ ইতোমধ্যে বুকিং হয়ে গেছে। কিছু রিসোর্ট, গেস্ট হাউস ও কটেজে কক্ষ খালি থাকলেও শিগগিরই সেগুলোও বুকিং হয়ে যাবে বলে তিনি আশা করছেন।

তারকা হোটেল ওশান প্যারাডাইস লিমিটেডের পরিচালক আবদুল কাদের মিশু বলেন, টানা পাঁচ দিনের ছুটিতে তাঁদের হোটেলের প্রায় ৯০ শতাংশ কক্ষ বুকিং হয়েছে। পর্যটকদের সেবা দিতে তাঁরা প্রস্তুত রয়েছেন। ছুটি শুরু হওয়ার আগেই হোটেলের সব কক্ষ বুকিং হয়ে যাবে বলে আশা করছেন তিনি।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, কক্সবাজার শহর ও আশপাশের পাঁচ শতাধিক হোটেল-মোটেল, রিসোর্ট, গেস্ট হাউস ও কটেজে প্রায় ১ লাখ ৭০ হাজার পর্যটকের রাতযাপনের ব্যবস্থা রয়েছে। তবে আগের বছরগুলোতে টানা ছুটির সময় পর্যটকদের চাপ বেড়ে যাওয়ায় অনেককে হোটেলের বাইরে গাড়িতেও রাত কাটাতে হয়েছে।

পরিবহন ব্যবসায়ীরা জানান, ৯০ থেকে ৯৫টি পরিবহন কোম্পানির প্রায় ৮ থেকে ৯ হাজার বাস কক্সবাজারে যাতায়াত করে। এসব বাসের বেশির ভাগের টিকিট আগাম বিক্রি হয়ে গেছে। ঢাকা-কক্সবাজার রেলপথের সব আসনও বুকিং হয়ে গেছে।

ট্যুরিস্ট পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আজমল হোসেন বলেন, পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। জেলা পুলিশের সঙ্গে সমন্বয় করে একাধিক দল মাঠে দায়িত্ব পালন করবে। পর্যটকদের নিরাপত্তার বিষয়টিকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

জেলা প্রশাসক মো. আ. মান্নান বলেন, চলতি মৌসুমে এবারের ছুটিতে সর্বোচ্চসংখ্যক পর্যটক আসতে পারেন বলে তাঁরা আশা করছেন। পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সৈকতে প্রতিমা বিসর্জন উৎসব শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করার জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। পর্যটকদের হয়রানি বন্ধ করা এবং সেবা নিশ্চিত করতে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে একাধিক ভ্রাম্যমাণ আদালতও দায়িত্ব পালন করবেন।

এস এম/ ১১ অক্টোবর ২০২৬

Scroll to Top