গত বছর দায়িত্ব নেন সুইডেনের নারী ফুটবল ক্লাব বিকে হ্যাকেনের। প্রথম মৌসুমেই দলকে জেতান মেয়েদের ইউরোপা কাপ।
হ্যাকেনের ৫৬ বছরের ইতিহাসে প্রথম ইউরোপিয়ান শিরোপা!
ভাবা যায়!
যে মেয়েটিকে চিকিৎসকেরা একদিন বলেছিলেন, ফুটবল ছেড়ে দাও, স্বাভাবিক জীবনযাপন করো, সেই মেয়েই এখন ইউরোপের ফুটবলে ইতিহাস লিখছেন।
আর সেই ইতিহাসের স্বীকৃতি হিসেবে ব্যালন ডি’অরের মঞ্চে জায়গা।
পুরুষশাসিত কোচিংয়ের জগতে নিজের জায়গা করে নেওয়াটাও কম বড় অর্জন নয়। এবারের বর্ষসেরা নারী কোচের সংক্ষিপ্ত তালিকায় একমাত্র নারী এলেনা। অথচ বয়স মাত্র ৩২। নারী ও পুরুষ মিলিয়েও সংক্ষিপ্ত তালিকায় তাঁর চেয়ে কম বয়সী কোনো কোচ নেই।
২৬ অক্টোবর জানা যাবে, ব্যালন ডি’অরের ট্রফিটা শেষ পর্যন্ত তাঁর হাতে উঠবে কি না।
কিন্তু সত্যিই কি তাতে খুব কিছু যায় আসে?

