এক জেলায় এত বৈচিত্র্যময় ভ্রমণ অভিজ্ঞতা আর কোথায়

এক জেলায় এত বৈচিত্র্যময় ভ্রমণ অভিজ্ঞতা আর কোথায়

সাফারি পার্ক, মহেশখালী দ্বীপ ও সোনাদিয়া দ্বীপ
জীবজন্তুর দৌড়ঝাঁপ দেখতে হলে যেতে হবে ৬০ কিলোমিটার দূরে চকরিয়ার ডুলাহাজারায় । সেখানে আছে দেশের প্রথম সাফারি পার্ক। পরিবার নিয়ে ঘুরতে যাওয়ার চমৎকার জায়গা। পার্কে বাঘ, সিংহ, ভালুক, হরিণ, কুমির, হাতি, মেছো বাঘ, জিরাফ, জেব্রা, জলহস্তী, ওয়াইল্ড বিস্ট, হনুমান, বানর, বনগরু, বানর, সাপ, শজারু, বনরুই, বুনো শূকর, ময়ূর, উটপাখি, ইমু পাখিসহ ১২৩ প্রজাতির অন্তত দেড় হাজার প্রাণী রয়েছে। পার্কের অভ্যন্তরে একাধিক পর্যবেক্ষণ টাওয়ার আছে, যেখান থেকে বন্য প্রাণীদের মুক্ত বিচরণ নিরাপদে পর্যবেক্ষণ করা যায়। হাতে সময় থাকলে কক্সবাজার শহরের বাঁকখালী নদীর বিআইডব্লিউটিএ ঘাট দিয়ে দ্রুতগতির জলযান স্পিডবোট কিংবা জাহাজে সাগর চ্যানেল পাড়ি দিয়ে দেশের একমাত্র পাহাড়ি দ্বীপ মহেশখালীও ঘুরে আসা যায়। সেখানকার মৈনাক পর্বতচূড়ায় আছে ঐতিহাসিক আদিনাথ মন্দির। তার নিচে রাখাইন সম্প্রদায়ের পল্লি, কিছুটা দূরে গোরকঘাটায় রয়েছে রাখাইনদের প্রাচীন বৌদ্ধবিহার ও বসতি।

এখান থেকে যেতে পারেন মুক্তা ও শুঁটকি উৎপাদনরাজ্য সোনাদিয়া দ্বীপে। ম্যানগ্রোভ বনের (প্যারাবন) জন্য প্রসিদ্ধ নির্জন সোনাদিয়া সৈকতে সামুদ্রিক কাছিমের বিচরণ, লাল কাঁকড়ার দৌড়ঝাঁপ, বিশ্বের বিলুপ্তপ্রায় চামচঠোঁট পাখিসহ বিভিন্ন প্রজাতির পরিযায়ী পাখির দেখা মেলে।

Scroll to Top