আস্থাহীন প্রশাসন
মার্কিন জনগণের এই অভিযানের ওপর খুব একটা আস্থা নেই। তাঁদের মতে, যুদ্ধের উদ্দেশ্যগুলো স্পষ্ট করা হয়নি এবং চারটি প্রধান লক্ষ্যের তালিকাও বারবার পরিবর্তন করা হয়েছে। সম্ভবত সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো হরমুজ প্রণালি বন্ধ হয়ে যাওয়া এবং এর ফলে জ্বালানি তেলের দাম বেড়ে যাওয়ায় সৃষ্ট অর্থনৈতিক মন্দা। সাধারণ মার্কিন নাগরিকেরা মনে করছেন, এই যুদ্ধের পেছনে যে খরচ হচ্ছে, তা যুক্তিযুক্ত নয়।
এত কিছুর পরও হেগসেথ দাবি করে আসছেন, গণমাধ্যম এই অভিযানের সামরিক সাফল্যগুলোকে ঠিকঠাক প্রচার করছে না। গত ৪ মার্চের ব্রিফিংয়ে তিনি বলেছিলেন, ‘ভুয়া সংবাদমাধ্যমগুলো যা বুঝতে ব্যর্থ হচ্ছে তা হলো, কোনো স্থলসেনা পাঠানো ছাড়াই আমরা ইরানের আকাশ ও জলপথের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নিয়েছি।’
এর এক মাস পর দেখা যাচ্ছে, গুরুত্বপূর্ণ জলপথটি এখনো নিয়ন্ত্রণের বাইরে। এমনকি ইরানের আকাশসীমা নিয়ন্ত্রণ এবং তাদের ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ কর্মসূচি ধ্বংসের যে ঢাকঢোল পেটানো হয়েছিল, বাস্তবে তার ছিটেফোঁটাও দেখা যাচ্ছে না।



